অন্ধ্রপ্রদেশে গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত অন্ধপ্রদেশের অমরাবতীর কৃষ্ণা নদীর জল। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ফুলে ফেঁপে ওঠা এই নদীর জল যেকোনও মুহূর্তে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে গোটা এলাকা। 

অমরাবতীর এই কৃষ্ণা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলেই একটি বাড়িতে থাকেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম পার্টির সভাপতি চন্দ্রবাবু নাইডু। শনিবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তরফে চন্দ্রবাবু নাইডু-কে  একটি নোটিশ পাঠানে হয়েছে, যেখানে তাঁকে যত শীঘ্রই সম্ভব বাড়ি খালি করে দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

চন্দ্রবাবু নাইডু-কে জারি করা নোটিশের প্রসঙ্গে তাডেপাল্লি গ্রামের রাজস্ব কর্মকর্তা জানিয়েছেন,  যেকোনও মুহূর্তে ওই এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি  দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাঁকে অবিলম্বে বাড়িটি খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, শুক্রবার প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে চন্দ্রবাবু নাইডু-র বাড়ি সংলগ্ন একটি কলা বাগানে বন্যার জল প্রবেশ করেছিল এবং তাঁর বাড়ি সংলগ্ন অন্যান্য বাড়িতেও এদিন বন্যার জল প্রবেশ করেছে বলে খবর। 

ভুটান সফরে কল্পতরু মোদী, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাইরে দুই দেশের সুসম্পর্ক স্থাপনের বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কিন্তু এই ঘটনায় তেলুগু দেশম পার্টির তরফ অভিযোগ জানানো হয়েছে যে, এই নোটিশ চন্দ্রবাবু নাইডু-কে তাঁর বাড়ি থেকে উৎখাত করার একটা প্রচেষ্টা মাত্র। যদিও এর আগেও কর্তৃপক্ষের তরফে চন্দ্রবাবু নাইডুকে তাঁর ওই অমরাবতীর বাড়িটি তাঁকে খালি করে দেওয়ার জন্য নোটিশ দিয়েছিল। কারণ বলা হয়েছিল যে, ওই আবাসনটি নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি। কারণ নদীর পাড়ে অবস্থিত হওয়ার কারণে সেই এলাকায় একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় বাড়ি তৈরির অনুমতি দেয় সরকার। 

চন্দ্রবাবু নাইডুর বাড়িটি যে উচ্চটায় তৈরি হওয়ার কথা বাড়িটে সেই উচ্চতায় তৈরি করা হয়নি।সাধারণত বন্যার জল সেই এলাকায় ২২.৬ মিটার পর্যন্ত উঠে থাকে। কিন্তু তাঁর বাড়িটি ১৯ মিটার উঁচু থেকে তৈরি করা হয়েছে।