চলতি মাসের শুরুতেই গুজরাতের সুরাতে তাঁদিরে নিজেদের রাজ্যে ফেরার দাবিতে পথে নেমেছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকদের দল। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাথর ছোড়ার অভিযোগও উঠেছিল। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। দেশে লকডাউনের চতুর্থ পর্যায়ের শুরুতে এবার পরিায়ী বিক্ষোভ দেখল গুজরাতের রাজধানী আহেমদাবাদ।

উত্তরপ্রদেশে করোনার লক্ষণ ৪১৪ জন পরিযায়ীর শরীরে, মৃতদেহের সঙ্গে আহতদের পাঠিয়ে ফের কাঠগড়ায় যোগী সরকার

একসঙ্গে করোনা আক্রান্ত ৬ কর্মী, গ্রেটার নয়ডায় কারখানা খুলেও বন্ধ করতে হল 'ওপো'-কে

গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ৫ হাজারের বেশি, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৯৬ হাজারের গণ্ডি

শহরের বাস্তুপুর এলাকায় এদিন জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের একটাই দাবি যেকোন মূল্যে বাড়ি ফিরতে চান। বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের দাবিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। এমনকি শ্রমিকের দল পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথরও ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। যাতে আহত হন ২ পুলিশকর্মী। বিক্ষোভ সামলাতে পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশও। 

 

 

বিক্ষোভস্থলের কাছেই একটি নির্মিয়মাণ সাইটেও ভাঙচুর চালান পরিযায়ী শ্রমিকরা। এমনকি  আইআইএম আহমেদাবাদ চত্বরেও ভাঙচুরের চেষ্টা চালান হয়। এই ঘটনায় পুলিশ শতাধিক পরিযায়ী শ্রমিককে আটক করে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের আহত হওয়ারও খবরও পাওয়া গিয়েছে। 

 

 

এদিকে গাজিয়াবাদের রামলিলা ময়দানে এখন ভিড় উপচে পড়ছে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের। এখান থেকেই ৩টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন ছাড়বে উত্তরপ্রদেশের নানা প্রান্তের জন্য। সেই ট্রেনেই ওঠার জন্য নিজেদের নাম রেজিস্ট্রার করতে এখন পরিযায়ীদের ভিড় থিকথিক করছে। 

 

সোনপতে  উত্তরপ্রদেশের শ্রমিকদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হলেও তাঁরা তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন অনেক পরিযায়ী শ্রমিকই।