তৃতীয় দফা লকডাউনে বেশকিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছিল। আর তাতেই গ্রেটার নয়ডা এলাকায় গত ৮ মে কারখানা খোলে চিনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ওপো। কিন্তু কারখানা খোলার এক সপ্তাহ পেরোতেই বিপত্তি। একসঙ্গে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেল কারখানার ৬ কর্মীর শরীরে। এরপরেই অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

 

গ্রেটার নয়ডায় ওপোর মোবাইলের যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী কারখানায় ৬ কোভিড ১৯ রোগীর সন্ধান মিলতেই আমাদের নোটিস পাঠিয়ে বাড়িতে থাকার কথা বলেছে কর্তৃপক্ষ। জানিয়েছেন ওই কারখানার এক কর্মী। "কাল থেকে কাজে আসার দরকার নেই। সকলেই বাড়িতে থাকুন এবং সংস্থার পরবর্তী নোটিসের জন্য অপেক্ষা করুন"। জানান হয়েছে চিনা মোবাইল সংস্থাটির পক্ষ থেকে। 

কোথা থেকে কীভাবে ছড়ালো করোনা, চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে ৬১টি দেশের সঙ্গে এবার তদন্ত চাইল ভারতও

বাসস্ট্যান্ডে পড়ে রয়েছে করোনা রোগীর দেহ, মুখ বাঁচাতে তড়িঘড়ি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ৫ হাজারের বেশি, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৯৬ হাজারের গণ্ডি

এদিকে গত রবিবার সংস্থার ৬ কর্মীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসার পরেই কারখানা যেমন বন্ধ করা হয় তেমনি তাঁদের ৩ হাজার কর্মীর করোনা পরীক্ষা করান হয়েছে। সেই রিপোর্টের জন্য এখন অপেক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওপো ইন্ডিয়ার মুখপাত্র। ৮ মের পর যারাই ওই কারখানায় কাজে যোগ দেন তাঁদের সকলেরই করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে।

 

দেশে তৃতীয় দফার লকডাউন চলাকালীন উত্তরপ্রদেশ সরকারের অনুমতি নিয়েই গ্রেটার নয়ডায় কারখানাটি খোলা হয়েছিল বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া নির্দেশিকা মেনে মাত্র ৩০ শতাংশ কর্মীদের নিয়েই কাজ করানো হচ্ছিল। 

চিনা মোবাইল সংস্থা ওপোর গ্রেটার নয়ডার কারখানাতে মোট কর্মীসংখ্যা ১০ হাজার। এদের মধ্যে ৩ হাজার কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করেছিল সংস্থাটি। কর্মীদের মধ্যে যাঁদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে তাঁদের নিয়েই ফের সরকারি বিধি মেনে কারখানা খোলা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে তার আগে কর্মীদের নিরাপত্তার দিকে লক্ষ্য রেখে পুরো কারখানা স্যানিটারাজ করা হবে।