Asianet News BanglaAsianet News Bangla

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের পরিবারে এবার করোনার থাবা, আক্রান্ত স্বয়ং সাংসদ পুত্র কার্তি

  • ফের করোনার কোপে হাইপ্রফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
  • সংক্রমণের শিকার চিদম্বরমের সাংসদ পুত্র
  • নিজের ট্যুইটারে জানালেন আক্রান্ত হওয়ার কথা
  • রাজনৈতিক মহলে ক্রমে থাবা বসাচ্ছে মারণ ভাইরাস
Congress MP Karti Chidambaram tests positive for Covid 19 BSS
Author
Kolkata, First Published Aug 3, 2020, 4:44 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

ফের করোনা আক্রান্ত আরেক হাইপ্রফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। রবিবারই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার করোনা সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে। এবার কোভিড ১৯ পজিটিভের খাতায় নাম লেখালেন কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদম্বরম। যিনি আবার শীর্ষ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের ছেলে।

আরও পড়ুন: টানা ৫ দিন দৈনিক আক্রান্ত ৫০ হাজারের বেশি, দেশে ২ কোটি ছাড়াল নমুনা পরীক্ষা

দেশের প্রাকত্ন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের সাংসদ ছেলে কার্তি নিজেই ট্যুইট করে তাঁর করোনা সংক্রমণের কথা জানান। কার্তি লেখেন, তার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যদিও নিজের মৃদু উপসর্গ রয়েছে বলেই জানিয়েছেন এই রাজনীতিক। সেই কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে হোম কোয়ারেন্টাইনেই রয়েছেন কার্তি। ট্যুইটারেই কার্তি অনুরোধ করেন,  যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁরা যেন করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন।

 

রবিবার নিজেই ট্যুইট করে করোনা সংক্রমণের কথআ জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরআগে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহ্বানও নিজের করোনা সংক্রমণের কথা ট্যুইটারে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান। রবিবার নিজের করোনা সংক্রমণ নিয়ে ট্যুইট করেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাও। উত্তরপ্রদেশ বিজেপির সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিংও আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এদিকে রবিবারই উত্তরপ্রদেশ ক্যাবিনেটের মন্ত্রী কমলরানি বরুণের মৃত্যু হয়েছে করোনা ভাইরাসে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক ও মন্ত্রী মহলেও করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত শুনেই ভয় পেলেন উমা, অযোধ্যায় গেলেও প্রধানমন্ত্রীর জন্য থাকবেন না ভূমি পুজোয়

এদিকে দেশে লাগামছাড়া ভাবে বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। টানা ৫ দিন দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজারের উপরে থেকেছে। ইতিমধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে সুস্থতার হার বেড়ে ৬৫.৭৬ শতাংশ হয়েছে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios