করোনাভাইরাসের এই সংকটকালে দেশে ফিরে আসে শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করতে আত্ম নির্ভার উত্তর প্রদেশ রোজগার অভিযান নামে একটি প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।  ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই অনুষ্ঠানেই ইউরোপের চার দেশের তুলনা অনেকটাই এগিয়ে রাখলেন উত্তর প্রদেশকে। 


প্রকল্পের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ইংল্যান্ড ফ্লান্স, স্পেন আর ইতালি ইউরোপের প্রথম সারির দেশ। আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতার পাশাপাশি বিজ্ঞান প্রযুক্তিতেও এগিয়ে রয়েছে। এই চারটি দেশের জনসংখ্যা প্রায় ২৪ কোটি। সেখানে ভারতের একটি রাজ্য উত্তর প্রদেশের জনসংখ্যা ২৪ কোটির আশেপাশে। কিন্তু ইউরোপের প্রথম সারির চারটি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ১লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের। আর উত্তর প্রদেশে করোনাভাইরাসে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬০০ জনের। এই ঘটনাই প্রমাণ করে উত্তর প্রদেশ এখনও করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, মৃত্যু মৃত্যুই। প্রতিটি মানুষের জীবন গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তা ভারতেই হোক আর বিদেশে। 

এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অনেক আগেই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি তাঁর রাজ্যের ২৪ কোটি মানুষের সুরক্ষার জন্য রীতিমত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বাবার মৃত্যুতেও লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে যায়নি যোগীজি। 

'যুদ্ধের হুমকি' দেওয়ায় চিনে মুখোশ খুলেছিলেন বাজপেয়ী, রাষ্ট্রদূতের অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন ৮০০ ভেড়া ...
এদিনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আমারা এখনও করোনাভাইরাসের কোনও প্রতিষেক খুঁজে পাইনি। তাই এখনও আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করে যেতে হবে। এখনও প্রয়োজনী কাজে বাড়ির বাইরে বার হলে মাস্ক পরা জরুরি বলেও তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও বলেন। 

ফুসফুসে করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় 'ন্যানোস্পঞ্জ', বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কারে আশার আলো .

শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪লক্ষ ৯০ হাজারের বেশি। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার মানুষের। উত্তর প্রদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে ৬১১ জনের। আক্রান্তের তালিকায় এখনও পর্যন্ত প্রথম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে তামিলনাড়ু ও গুজরাত। পঞ্চম স্থানে  রয়েছে উত্তর প্রদেশ। 

কারও সর্বনাশ তো কারও পৌষমাস, যুদ্ধের আবহে ১৭০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের ..