ভারতে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৭। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানান হয়েছে। নতুন করে যাদের শরীরে করোনার জীবানু পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে ২২ জন বিদেশী। হরিয়ানা থেকেই তাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে ৫,৭০০ জনকে চিহ্নিত করা গেছে যারা করোনা সংক্রমিতদের সংস্পর্শে এসেছিল। সেই ব্যক্তিদের কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলেও জানিন হয়েছে মন্ত্রকের তরফ থেকে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চে সংস্থার পক্ষ থেকে দেশের সমস্ত বেসরকারি পরীক্ষাগারগুলির কাছে আবেদন জানান হয়েছে তারা যাতে করোনা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরীক্ষা বিনামূল্যে করেন। সংস্থার এই আবেদনের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। মালেশিয়া, ফিলিপিন্স, আফগানিস্থানের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

 

করোনার সংক্রমণ রুখতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে মহারাষ্ট্র প্রশান। তেলাঙ্গনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫। কর্নাটকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০। মঙ্গলবারই পদুচেরিতে প্রথম করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। তাতেই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্থানীয় প্রশান। আক্রান্ত ৬৮ বছরের একজন মহিলা। যিনি সৌদি আরব থেকে তীর্থ করে গত ১৩ মার্চ দেশে ফিরেছেন।  বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা গয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সিনেমা হল ও জিম গুলিও। 

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে করোনা আতঙ্ক, মৃত ১, সরকারি দফতর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত উদ্ধব ঠাকরের

করোনার প্রকোপ নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন দিল্লি প্রশাসন। ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে কেজরিওয়ালা সরকার। তবে এদিনও নতুন করে শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করা হয়েছে তাঁরা যেন এলাকা খালি করে দেন। গতকালই জমায়েত করতে নিষেধ করেছে দিল্লি সরকার। বলা হয়েছিল একজায়গায় ৫০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হওয়া যাবে না। তারপরই নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করে ধর্নায় বসে থাকা শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের কাছে উঠে যাওয়ার আবেদন জানান হয়েছে। অন্যদিকে নয়ডায় আরও ২জনের শরীরে করোনায় জীবানু পাওয়া গেছে।  

আরও পড়ুনঃ ফাঁসির ৩ দিন আগে নতুন নাটক নির্ভয়ার অভিযুক্তের, ঘটনার দিন দিল্লিতে ছিলাম না দাবি মুকেশের

করোনার প্রকোপ রুখতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় সব প্রথমসারির ধর্মীয় তীর্থ স্থানগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে বাকি দর্শনীয় স্থানগুলিও। পশ্চিম রেলওয়ে বাতিল করেছে ১০টি ট্রেন। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার একাধিক উড়ানও বালিত করা হয়েছে।