নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ বা JEM-র প্রধান মাসুদ আজহারের একটি অডিও টেপ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখথানে সে ভারতকে প্রচ্ছন্ন আত্মঘাতী হামলার হুমকি দিচ্ছে। এমনটাই শোনা যাচ্ছে সেই অডিও টেপে।
নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ বা JEM-র প্রধান মাসুদ আজহারের একটি অডিও টেপ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে সে ভারতকে প্রচ্ছন্ন আত্মঘাতী হামলার হুমকি দিচ্ছে। এমনটাই শোনা যাচ্ছে সেই অডিও টেপে। তেমনই দাবি করেছেন গোয়েন্দারা। অডিও টেপে মাসুদ আজহারকে বলতে শোনা গেছে, আত্মঘাতী হামলাকারীরা হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। যে কোনও মুহূর্তেই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। হামলাকারীরা ভারতে অনুপ্রবেশের অনুমতির জন্য চাপ দিচ্ছে।
মাসুদ আজহারের হুমকি
অডিও টেপে মাসুদ আজহারকে বলতে শোনা গিয়েছে, এক হাজারেরও বেশি আত্মঘাতী বোমারু প্রস্তুত। ভারতে অনুপ্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য তাঁকে চাপ দিচ্ছে। মাসুদ সেই অডিও টেপে আরও বলেছে, তার দলের আত্মঘাতী 'যোদ্ধা'দের সংখ্যা শুনলে নাকি গোটা বিশ্বই অবাক হয়ে যাবে।
অডিও টেপে যা শোনা যাচ্ছে তার বাংলা করলে দাঁড়ায়, 'এক বা দুই জন নয়, ১০০ বা ১০০০ নয়। আমি যদি সংখ্যা বলে তাহলে আগামিকালই গোটা বিশ্ব তোলপাড় হয়ে যাবে।' মাসুদকে আরও বলতে শোনা গেছে, আত্মঘাতী জঙ্গিরা আক্রমণ চালানোর জন্য ও শহিদের মৃত্যু বরণ করার জন্য অত্যন্ত উৎসাহী।
সূত্রের খবর অডিও টেপের তারিখ আর সত্যতা এখনও যাচাই করা যায়নি। তবে মাসুদ আজহারের ভারত বিরোধী বক্তব্যের দীর্ঘ ইতিহাস পয়েছে। ২০০১ সালে সংসদ হামলা তারপরই ২০০৮ সালে মুম্বই হামলা- দুটি বড় হামলার পিছনেই অন্যতম চক্রী হিসেবে কাজ করেছে মাসুদ আজহার। তবে এই অডিও টেপটি সম্ভবত ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পরে। অপারেশন সিঁদুর অভিযানের সময়েই ভারতীয় বাহিনীর হামলার মাসুদের জঙ্গি ঘাঁটি তছনছ হয়ে গিয়েছিল। বাহাওয়ালপুরে জইশের সদর দফতরও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল। এই অভিযানে মাসুদ বেঁচে গেলেও তার ঘনিষ্ট কয়েকজন সঙ্গী নিহত হয়েছিল। দিল্লিতে বিস্ফোরণেও জইশ যোগ পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। বিস্ফোরণে অন্যতম অভিযুক্ত উমর মহম্মদ পাকিস্তানের জইশ -ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলেও দাবি। দিল্লি বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছিল।


