দিল্লি হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেজন্য দল থেকেও বহিষ্কৃত হতে হয়েছিল আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর তাহির হুসেনকে। শেষপর্যন্ত দিল্লি আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন তাহির। এরপরেই তাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

 

গত সপ্তাহে দিল্লির হিংসার বলি হন গোয়েন্দা আধিকারিক অঙ্কিত শর্মা। সেই সময় উত্তর-পূর্ব দিল্লির জাফরাবাদে তাহির হোসেনের বাড়ির পাশে নালা থেকে উদ্ধার হয়েছিল অঙ্কিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ। ছেলের হত্যার পিছনে তাহির ও তার অনুগামীদের হাত রয়েছে বলে সরব হন অঙ্কিতের বাব। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাহিরের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ। পাশাপাশি সংঘর্ষে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাহিরের বিরুদ্ধে। 

আরও পড়ুন: গুরগাঁওয়ে করোনায় আক্রান্ত হলেন পেটিএম কর্মী, আতঙ্কে বন্ধ করা হল ই-ওয়ালেট সংস্থার দফতর

 অঙ্কিতের হত্যাকাণ্ড সামনে আসার পর থেকেই উধাও ছিল বহিষ্কৃত আপ নেতা। বুধবার তার আইনজীবী আদালতে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন জানাতে আসলে অন্যান্য আইনজীবীদের বিরোধীতার মুখে পড়েন। যদিও শেষপর্যন্ত তাহিরের আইনজীবী তার জন্য জেলা ও দায়রা আদালতে জামিনের আবেদন জানায়। কিন্তু সেই আবেদনের প্রতিলিপি বিশেষ তদন্তকারী দলের কাছে না দেওয়ায় বিচারক সুধীর জৈন আগাম জামিনের শুনানি শুক্রবার পিছিয়ে দেন।  এদিন আগামা জামিনের আবেদন খারিজ হতেই  আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন তাহির। তারপরেই দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে। 

আরও পড়ুন: বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ করোনা, আক্রান্ত ৯৫,০০০ বেশি মানুষ

দিল্লি হিংসার সময় তাহিরের বাড়ির ছাদ থেকে প্রচুর প্রটোল বোমা ও পাথর উদ্ধার হয়েছিল। তাহিরের বিরুদ্ধে আইবি আধিকারিক অঙ্কিত শর্মার খুনের অভিযোগ উঠায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে আম আদমি পার্টি। যদি প্রথম থেকে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে সোশ্য়াল মিডিয়ায় দাবি করে এসেছেন তাহির। 

তাহিরের বক্তব্য, " আমি এবং আমার পরিবার দাঙ্গাবাজদের থেকে পালিয়ে এসেছিলাম। পুলিশকেও সে সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের সামনেই আমি পরিবারকে নিয়ে পালাই। পুলিশ বাড়িটি দখল করে নেয়।"