এ৩২০ নিও এয়ারক্র্যাফ্ট এবং তার প্র্য়াট অ্যান্ড হুইটনি ইঞ্জিন - দীর্ঘদিন ধরেই এই সংস্থার পুরোনো ইঞ্জিনগুলিতে যে সমস্যা রয়েছে তা জানা গিয়েছে কিন্তু তারপরেও সেই ইঞ্জিন ব্যবহার করেই যাত্রীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলছে শতাধিক বিমান। মাঝে মাঝেই যার থেকে ধোঁয়া নির্গত হতে শোনা যায়। একই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবারও।  

ইন্ডিগো সংস্থার ৬ই ৬৬৪৯ বিমানটি দিল্লি থেকে হায়দরাবাদ যাচ্ছিল। প্রায় গন্বব্যের কাছাকাছি পৌঁছে পাইলট যখন বিমানটিকে নিচে নামিয়ে আনছেন, তখনই তিনি ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তৎক্ষণাৎ বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত অবতরণ করায় কোনও বিপদ ঘটেনি। কিন্তু এই ঝুঁকির যাত্রা আর চালাতে দিতে রাজি নয়, অসামররিক বিমান পরিষেবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ।

আরও পড়ুন - হাতে পাঁচ মিনিট, বিমানে দেড়শো যাত্রী, লখনউতে ভয়াবহ বিপর্যয় এড়ালেন দুই পাইলট

আরও পড়ুন - দিল্লি বিমানবন্দরে সামনে ট্যাক্সিতে পাইলটের সর্বস্ব লুঠ, তদন্তে পুলিশ

আরও পড়ুন- বালাকোটের পরে এই প্রথম পাক আকাশে ভারতীয় উড়ান, ইদে বদলাল চেনা ছবি

আরো পড়ুন - রানওয়ে ধরে ছুটল জ্বলন্ত বিমান, মস্কোয় মৃত ৪১

প্র্য়াট অ্যান্ড হুইটনি ইঞ্জিনের সমস্যা ঠিক কী, কীভাবে তার সমাধান করা যায় তাই নিয়ে আলোচনা করতে দুই বাজেট উড়ান সংস্থা ইন্ডিগো এবং গো এয়ারকে জরুরি বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সেখানে এ৩২০ নিও বিমানগুলির পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে। ইতিমধ্যেই প্র্য়াট অ্যান্ড হুইটনি সংস্থার কাছে যত দ্রুত সম্ভব পুরোনো ইঞ্জিলগুলি বদলে তাদের নতুন ইঞ্জিন লাগানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ।

বর্তমানে বিশ্বে পুরোনো ইঞ্জিনে চলা এ৩২০ নিও বিমানের সংখ্যা প্রায় ৪০০টি। এরমধ্যে ১২০ থেকে ১৩০টিই চালায় এই দুই বাজেট ভারতীয় উড়ান সংস্থা। ইন্ডিগোর হাতে রয়েছে ৭৯টি এ৩২০  নিও ও ৫টি এ৩২১ নিও বিমান, আর গো এয়ারের হাতে রয়েছে ৩৫টি এ৩২০ নিও এবং ১৬টি এ৩২১ নিও বিমান। কাজেই সস্তার বিমানে চড়া মানে প্রাণ বাজি রাখা।