৩৭০ ধারা বাতিল হয়ে গিয়েছে। পাস হয়ে গিয়েছে জম্মু কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার প্রস্তাবও। আগামী ৩১ অক্টোবর সরকারিভাবে তা কার্যকর করা হবে। তারপর কাশ্মীরে শুরু হবে বিকাশ যজ্ঞ। কিন্তু তার কবে সরকারিভাবে রাজ্য কেন্দ্রের শাসনে আসবে, তার জন্য অপেক্ষা করে হাত গুটিয়ে বসে নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের বিকাশের নীল নকশা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আর তার জন্য মোদী পঞ্চপাণ্ডবের মতো পাঁচ মন্ত্রীর একটি গোষ্ঠী তৈরি করে দিয়েছেন।

এই পাঁচ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ, সামাজিক বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রী থাওয়ারচাঁদ গেহলট, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী নরেন্দ্র তোমার, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং ইস্পাত মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, এবং প্রধানমন্ত্রীর নিজের কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। বিভিন্ন মন্ত্রকের সমন্বয়ে, সবদিক থেকে উপত্যকাকে বিকাশে মুড়ে ফেলার পরিকল্পনা তৈরি করছেন তাঁরা। 

সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই এই পাঁচ মন্ত্রী নিজেদের মধ্যে দুটি সভা করে ফেলেছেন। যুব সম্প্রদায়ের দক্ষতার বিকাশেই সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে রয়েছে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। আগামী ৩১ অক্টোবরের আগেই এই মন্ত্রী গোষ্ঠীকে তাঁদের প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন - খুলল হাইস্কুল, কিন্তু ছাত্র-ছাত্রী কই! উপত্যকার রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবিশ্বাস

আরও পড়ুন - রাহুলের মন্তব্যকে হাতিয়ার পাকিস্তানের, চাপে পড়ে মোদী সরকারের পাশে কংগ্রেস নেতা

আরো পড়ুন - সাংবিধানিক বেঞ্চে গেল ৩৭০ ধারার মামলা, কাশ্মীরে ঢুকতে পারবেন সীতারাম ইয়েচুরি

আরও পড়ুন - বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর এই প্রথম জঙ্গিহানা কাশ্মীরে, নিহত ২ গুজ্জর

তবে বুধবারই সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের বিরোধিতায় করা একাধিক আবেদনের মামলার শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আদালত মামলাটি ৫ সিনিয়র বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠিয়েছে। কাজেই নরেন্দ্র মোদীর কাশ্মীর বিকাশের স্বপ্ন আদালতের নির্দেশে থমকেও যেতে পারে।