ফের উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার চিকিৎসক কাফিল খান। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় বক্তব্য পেশ করা জেরে তাঁকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে সংগঠিত হচ্ছে বিক্ষোভ আন্দোলন। এই আন্দোলনে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। গত ডিসেম্বরে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিক্ষোভ আন্দোলনে বক্তব্য রেখেছিলেন চিকিৎসক কাফিল খান। এর পরেই তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ ওঠে। কাফিলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হত গত  ১৩ ডিসেম্বর। তার ৪০ দিন পর গ্রেফতার হলেন তিনি।

 

 

সম্প্রতি শাহিনবাগের আদলে মুম্বইতেও নাহরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছেন মহিলারা। বৃহস্পতিবার সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। তার আগেই অবশ্য মুম্বই থেকে উত্তরপ্রদেশের পুলিশের এসটিএফ কাফিল খানকে গ্রেফতার করল। কিন্তু তাঁর এই গ্রেফতারি নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: ট্রাফিক সমস্যায় জর্জরিত বিশ্বের প্রথম ৫টি শহরের ৩টি ভারতে, শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু

২০১৭ সালে গোরক্ষপুরের বিআরডি হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে একের পর এক শিশুর মৃত্যু ঘটতে থাকে। এই ঘটনা তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল গোটা দেশে। সেই সময় কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিআরডি হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক কাফিল খানকে। অথচ  তিনিউ শেষ পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে শোনা যায়। পরবজ্ঞতী সময়ে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রশাসন।

আরও পড়ুন: চিনা ভূখণ্ডের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস, করোনায় মৃত্যু মিছিল বেড়ে ১৭০

চিকিৎসক কাফিল খানকে গ্রেফতার করা নিয়ে যোগী প্রশাসনকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে শেষপর্যন্ত যথাযথ প্রমাণের অভাবে উত্তরপ্রদেশ সরকার তাঁকে ক্লিনচিট দিতে বাধঅয হয়।