এই মিসাইলটিতে ইমেজিং ইনফ্রারেড (IIR) হোমিং সিকার, একটি ইলেকট্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, একটি ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, একটি ট্যান্ডেম ওয়ারহেড, একটি প্রপালশন সিস্টেম এবং একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সাইটিং সিস্টেমের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইলের (Man Portable Anti-Tank Guided Missile) সফল পরীক্ষা চালাল ভারত। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) সোমবার একটি চলমান টার্গেটের বিরুদ্ধে এই মিসাইলের টেস্ট করেছে। এই মিসাইল কাঁধে বহনযোগ্য। অর্থাৎ কাঁধে করে জওয়ানরা নিয়ে পারেন ব্যবহার করতে। মিসাইলটি একটি ট্রাইপড বা সামরিক যান থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে যে ১১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের আহিল্যা নগরের কে কে রেঞ্জে তৃতীয় প্রজন্মের ফায়ার-অ্যান্ড-ফরগেট ম্যান পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের (MPATGM)র পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষাটি চালিয়েছে হায়দরাবাদের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি।

কতটা খতরনাক

দেশীয়ভাবে তৈরি এই মিসাইলটিতে ইমেজিং ইনফ্রারেড (IIR) হোমিং সিকার, একটি ইলেকট্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, একটি ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, একটি ট্যান্ডেম ওয়ারহেড, একটি প্রপালশন সিস্টেম এবং একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সাইটিং সিস্টেমের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই সিস্টেমগুলি ডিআরডিও-এর বিভিন্ন গবেষণাগার দ্বারা তৈরি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রিসার্চ সেন্টার ইমারত, হায়দরাবাদ, টার্মিনাল ব্যালিস্টিকস রিসার্চ ল্যাবরেটরি, চণ্ডীগড়, হাই এনার্জি মেটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি, পুনে এবং ইনস্ট্রুমেন্টস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট, দেরাদুন।

Scroll to load tweet…

ইমেজিং ইনফ্রারেড (IIR) হোমিং সিকার দিন ও রাতের উভয় যুদ্ধ পরিস্থিতিতেই কাজ করতে সক্ষম। ওয়ারহেডটি আধুনিক প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কগুলিকে ধ্বংস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। মিসাইলটি একটি ট্রাইপড বা সামরিক যান থেকে উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। ভারত ডাইনামিক্স লিমিটেড এবং ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড এই মিসাইলের উন্নয়ন ও উৎপাদন অংশীদার।

আত্মনির্ভর ভারত

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ডিআরডিও, তার শিল্প অংশীদার এবং সফল পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং এটিকে আত্মনির্ভর ভারতের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। ডিআরডিও-এর চেয়ারম্যান এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের সচিব ডঃ সমীর ভি কামাত বলেছেন যে, এই সফল পরীক্ষাটি অস্ত্র ব্যবস্থাটিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।