দশেরা আর বিজয় দশমীর বার্তাতেও কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী তীব্র সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রী মোদীর। তবে তিনি নাম না করেই তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন ঔদ্ধত্যকাকে সরিয় নম্রতা আর বিবেচনাবোধ ফিরিয়ে আনা উচিৎ শাসকদলের। সনিয়ার গান্ধীর কথায় শাসকদলের দায়বদ্ধতা থাকা উচিৎ নাগরিকদের কাছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকছে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন দেশের কিছু মানুষের মধ্যে সন্দেহেপ বীজ বপণ করতে বিরোধী শক্তি কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করেছে। পাল্টা সনিয়াও সরকার বিরোধী অভিযোগ তুলেন। আর এই ভাবেই দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল একে অপরকে আক্রমণ করেন। 

রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত-এ একতা কথা বলেন। তিনি বলেছেন একতাই শক্তি আর প্রগতির প্রতীক। সনিয়া গান্ধী তারও সমালোচনা করেন। কিনি বলেন মত প্রকাশের স্বাধীনতা আজ বাধা পেয়েছে। সরকার বিরোধী মত প্রকাশকে আজ সন্ত্রাসবাদী ও দেশবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সনিয়া গান্ধীর কথায় আজ দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন। কথা প্রসঙ্গে তিনি নাগরিকত্ব আইনও তুলে আনেন।  

ভারতে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নগামী, পাল্লা দিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে .

ভোট প্রচারে আবারও হাতিয়ার করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক, এবার কী প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী .
নরেন্দ্র মোদী মন কি বাত অনুষ্ঠানে কারও সমালোচনা না করেই একতা ও সম্প্রিতীর প্রতি বার্তা দিয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইন্দিরা গান্ধী ও বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিন পালন করার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী তাঁর বার্তায় নাম না করেই  নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী ১৩০ কোটি ভারতীয় প্রতিনিধিত্ব করার কথা বললেও তিনি বর্তমান ভারতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের সঙ্গে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকের মত আচরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন একটি দেশ তখনই বিকশিত হবে যখন দেশের সংবিধান কার্যকর করে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা বজায় থাকবে।