ECI on SIR: ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য প্রস্তুতি সারতে নির্দেশ দিয়েছে। এই প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা।
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (CEO) একটি চিঠি পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার পাঠানো এই চিঠিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (Special Intensive Revision বা SIR) দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য প্রস্তুতি সেরে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কোন কোন রাজ্য SIR?
যে ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল: অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, লাদাখ, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, দিল্লি (NCT), ওড়িশা, পাঞ্জাব, সিকিম, ত্রিপুরা, তেলেঙ্গানা এবং উত্তরাখণ্ড।
কমিশন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে এই প্রক্রিয়া যাতে মসৃণভাবে শুরু করা যায়, তার জন্য সমস্ত প্রস্তুতিমূলক কাজ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করতে হবে।
বর্তমানে ভোটার তালিকা সংশোধন চলছে
বর্তমানে দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর কাজ চলছে। এই রাজ্যগুলি হল: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাট, কেরালা, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ।
রাজ্যসভার নির্বাচন
এর আগে, নির্বাচন কমিশন রাজ্যসভার দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের দিনক্ষণও ঘোষণা করেছে। ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি আসনের জন্য এই নির্বাচন হবে। একটি প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, এই আসনগুলির সদস্যদের মেয়াদ ২০২৬ সালের এপ্রিলে শেষ হচ্ছে, তাই নতুন সদস্য নির্বাচনের জন্য এই ভোটের আয়োজন।
যে ১০টি রাজ্যের আসন খালি হচ্ছে, সেগুলি হল: মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ এবং তেলেঙ্গানা।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া
নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৫ মার্চ এবং মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা হবে ৬ মার্চ। প্রার্থীরা ৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ মার্চ। ওই দিনই বিকেল ৫টায় ভোট গণনা করা হবে। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া ২০ মার্চের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীকে চিহ্নিত করার জন্য শুধুমাত্র বেগুনি রঙের স্কেচ পেন ব্যবহার করতে হবে।


