Egg Row: চলতি বছরের মার্চে বাজারে ডিমের দাম কমে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে কিছু ঠিকাদার বিপুল পরিমাণ ডিম কিনে মজুত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রায় ২০ কোটি ডিম কম দামে কিনে কোল্ড স্টোরেজে রেখে দেওয়া হয়েছে, যাতে পরে সরকারি প্রকল্পে বেশি দামে সরবরাহ করা যায়।
Egg Row: রাজ্যের পুরনো সরকারের ডিম কেলেঙ্কারি নিয়ে ময়দানে বিজেপি নেতা। স্কুলের মিড-ডে মিল প্রকল্পে দেওয়া ডিম নিয়ে তামিলনাড়ুতে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপি নেতা তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি কে আন্নামালাই অভিযোগ করেছেন, চলতি বছরের মার্চে বাজারে ডিমের দাম কমে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে কিছু ঠিকাদার বিপুল পরিমাণ ডিম কিনে মজুত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রায় ২০ কোটি ডিম কম দামে কিনে কোল্ড স্টোরেজে রেখে দেওয়া হয়েছে, যাতে পরে সরকারি প্রকল্পে বেশি দামে সরবরাহ করা যায়।

ডিম কেলেঙ্কারি
আন্নামালাইয়ের দাবি, মার্চে বাজারে ডিমের দাম নেমে গিয়েছিল প্রায় ৩ টাকা ৭০ পয়সায়। সেই সময়েই ঠিকাদারেরা বিপুল পরিমাণ ডিম কিনে রাখেন। অন্যদিকে, স্কুলের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পে সরকার নির্দিষ্ট হারে প্রতি ডিমের জন্য ৫ টাকা ৬৩ পয়সা দেয়। অভিযোগ, কম দামে কেনা সেই ডিমই সারা বছর সরকারি প্রকল্পে বেশি দামে সরবরাহ করে লাভ তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে অন্নামালাই নতুন সরকারকেও সতর্ক করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অতীতে স্কুলের খাবারে পচা বা নিম্নমানের ডিম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার যেন কোনওভাবেই শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস না করা হয়।
দেশের অন্যতম বৃহৎ সরকারি খাদ্য কর্মসূচি
তামিলনাড়ুর পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্প দেশের অন্যতম বৃহৎ সরকারি খাদ্য কর্মসূচি। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই প্রকল্পের আওতায় খাবার পায়। স্কুলপড়ুয়াদের পুষ্টির জন্য নিয়মিত ডিম দেওয়া হয়। সেই কারণেই ডিমের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা শুধু প্রশাসনিক নয়, জনস্বাস্থ্যের বিষয় বলেও দাবি বিজেপির। অন্নামালাইয়ের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন কোল্ড স্টোরেজে রাখা ডিম পরে দূরবর্তী স্কুলে পাঠানো হলে তার পুষ্টিগুণ কমে যেতে পারে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তিনি সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা, কড়া মান নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন হলে সরাসরি কেনার ব্যবস্থার উপর জোর দিয়েছেন।
কী বলছে রাজনৈতিক দলগুলি
যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত তামিলনাড়ু সরকার বা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের তরফে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি, ডিএমকে এবং শাসক শিবিরের মধ্যে এই ইস্যু আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।


