সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি হোক, কি রাজনীতিবিদ - বহিরাগত সকলের জন্যই দরজা বন্ধ করে দিল হায়দারাবাদের নির্যাতিতার প্রতিবেশীরা। ঘটনার কথা জানাজানির পর থেকেই দলে দলে রাজনীতিবিদ ও সংবাদমাধ্য়মের প্রতিনিধিরা ভিড় জমাচ্ছিলেন নির্যাতিতার বাড়িতে। কিন্তু রবিবার থেকে আবাসনের দরজায় একটি বোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে লেখা, মিডিয়া, পুলিশ বা বহিরাগত কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সমবেদনা জানানোর দরকার  নেই। দরকার পদক্ষেপের, ন্যায়বিচারের।

হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ডে ক্ষুব্ধ বিরাট, সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলেন কড়া বার্তা

রবিবার তেলেঙ্গানার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক জে রঙ্গা রেড্ডি দলের কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে নির্যাতিতার বাড়ি গিয়েছিলেন। নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তাঁরা দরজার বাইরেই অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। কিন্তু ভেতরে ঢোকার সুযোগ পাননি। তিনি দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রীর উচিত পুলিশ যাতে নারী নির্যাতনের ঘটনায় অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়, তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া।

আরও পড়ুন - নির্যাতিতার স্কুটারেই ফের ঘটনাস্থলে ফিরেছিল দুই ধর্ষক, প্রকাশিত আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য

তবে শুধু সিপিআইএম বিধায়কই নয়, নির্যাতিতাকে ছোট থেকে বড় হতে দেখা পাড়া প্রতিবেশীরা ক্ষুব্ধ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপরও। প্রতিবেশী এক মহিলা জানিয়েছেন, ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার, অথচ তিনদিন কেটে গেলেও এখনও ঘটনার নিন্দা পর্যন্ত করেননি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। আরেক মহিলা প্রশ্ন তুলেছেন নরেন্দ্র মোদীর নীরবতা নিয়েও। তাঁর বক্তব্য মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন করলে তখন সাত তাড়াতাড়ি টুইট করেন মোদী, কিন্তু এই নারকীয় ঘটনার পরও প্রধানমন্ত্রী তার প্রকাশ্যে সমালোচনা তো দূর টুইট করেও ঘটনার নিন্দা করেননি। তারা মুখ খুললে বিচার প্রক্রিয়ায় দ্রুততা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন - ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনাতেও ধর্মের তাস, ধিকৃত 'গর্বিত হিন্দু' অভিনেত্রী