কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সোমবার সপ্তম পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে। সোমবার বৈঠকের শুরুতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-সহ সভায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ও কৃষক নেতারা ২ মিনিটের নীরবতা পালন করেন। আন্দোলনে নিহত কৃষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করা হয়। গত ৪০ দিন ধরে দিল্লির উপকণ্ঠে কৃষক আন্দোলন চলছে। প্রবল ঠান্ডা ও বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েক জন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন আত্মহত্যাও করেছেন। এদিন আন্দোলনে অংশ নিয়ে শহিদ হওয়ার কৃষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই কেন্দ্রীয় সরকার বৈঠকের সূচনা করে। 

আন্দোলনকারী কৃষকদের ৪০টি সংগঠনের নেতারা এদিন আলোচনার জন্য বিজ্ঞানভবনে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর আন্দোলনকারী কৃষকদের বিজ্ঞানমঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন। ষষ্ঠ পর্যায়ের বৈঠক থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার ও আন্দোলনকারী কৃষকরা কিছুটা হলেও সুর নরম করতে শুরু করেছিলেন। তার আগে আন্দোলনকারী কৃষকরা যেমন সরকারের খাবার ছোঁবেনা বলে লঙ্গর থেকেই নিজেদের খাবার আনিয়ে বিজ্ঞানভবনে খাওয়া দাওয়া করেছিল। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের বৈঠকে কৃষকদের লঙ্গরের খাবরও খেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় দুই মন্ত্রী। তারপরেই কৃষকরা কিছুটা সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে সরকারি চায়ের কাপে চুমুক দিয়েছিলেন। 

লন্ডনে বেনামি সম্পত্তিত মামলায় জেরা, প্রিয়াঙ্কার স্বামীর অফিসে আয়কর বিভাগের হানা ...

'৩ কৃষি আইন থেকে লাভ পাওয়ার রাস্তা দেখছে না', কৃষক আন্দোলন নিয়ে আদালতে রিলায়েন্স ...
ষষ্ঠ দফার বৈঠকে দুটি বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও আন্দোলনকারী কৃষকরা সহমত পোষণ করলেও মূল সমস্যার কোনও রকম জট কাটেনি। তিনটি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে এখনও পর্যন্ত অনড় রয়েছে আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে আইন প্রত্যাহার করা হবে না। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আন্দোলনকারী কৃষকরা আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনে হুমকি দিয়েই বৈঠকে গেছেন। ২৬ জানুয়ারি দিল্লিকে ট্র্য়াক্টর নিয়ে প্যারেড করারও হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।