সনিয়া গান্ধীর প্রতি আরও একবার আনুগত্য জানিয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী একহাত নিলেন তাঁরই দলের বিদগ্ধ নেতা কপিল সিবালকে। যাঁরা কংগ্রেসে থেকে এখন বিব্রত বোধ করছেন তাঁরা চাইলেই অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে পারেন। বা একটি নতুন দল প্রতিষ্ঠা করে রাজনীতি লড়াইয়ে সামিল হতে পারেন। কংগ্রেসে থেকে তাঁদের বিব্রত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন আজ যাঁরা বিব্রত বোধ করছেন তাঁরা একটা সয়ম সনিয়া গান্ধী বা রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ পরিবৃত্তে অবস্থান করতেন বলেও জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। তবে তিনি কোনও নাম নেননি। 

সোমবার কপিল সিবাল একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন যে কংগ্রেসের ক্ষয় শুরু হয়েছে। আত্ম অনুশীলনের সময় শেষ হয়েছে। এবার সময় এসেছে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করার। বিহার নির্বাচনে কংগ্রেসের ধরাসায়ী হওয়ারও তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছিলেন যে, দলের মতামত জানানোর কোনও ফোরাম না থাকায় প্রকাশ্যেই তাঁকে এজাতীয় মন্তব্য করতে হচ্ছে। বিহার নির্বাচন ও উপনির্বাচনগুলিতে দলের ফলাফলের পর্যালোচনা নিয়ে এখনও তিনি কোনও কিছুই শুনতে পারননি। কংগ্রেস মনে করছে এখনও সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু এগুলি নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি দলের মধ্যে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

লাদাখে সত্যি কি ব্যবহার হয়েছিল 'মাক্রোওয়েভ অস্ত্র', চিনের দাবি নিয়ে কী বলল পিআইব

আর এক দিন পর শুরু হবে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় ট্রায়াল, নজির গড়তে চলেছেন হরিয়ানার মন্ত্রী ...

কপিল সিবালের এই মন্তব্যের  প্ররিপ্রেক্ষিতে অধীর চৌধুরী বলেন, যাঁরা এখন সমালোচনা করছেন দলের প্রবীণ নেতারা সেই সময় কোথায় ছিলেন? বিহার নির্বাচনের এইসব নেতাদের দেখা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, জাতীয় নেতারা যদি কংগ্রেসকে একটি শক্তিশালী দলে পরিণত করতে চান তাহলে তাঁদের উচিৎ দলে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করা। নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করা। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে কী তাঁরা দলের হয়ে কাজ করার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন? এজাতীয় প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।