শুক্রবারই রাজ্যসভার সচিবলায়ের এক আধিকারিকের শরীরে করোনা সংক্রমণের খবর মেলে। ওই আধিকারিকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরাও কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্ত বলে রিপোর্ট আসে। সরকারি আধিকারিকের করোনা সংক্রমণের জেরে সিল করে দিতে হয় অ্যানেক্স ভবনের দুটি তলা। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার দেশের বিদেশমন্ত্রকে হানা দিল মারণ ভাইরাস।

জানা যাচ্ছে বিদেশমন্ত্রকে কর্মরত দুই আধিকারিকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এরপরেই তড়িঘড়ি সতর্কর্তমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বিদেশমন্ত্রকের কয়েকজন আধিকারিককে কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিদেশমন্ত্রকের অন্দরে। 

পদ্মশিবিরে চলছিল বিনামূল্যে রেশন বিলি, কোয়ারেন্টইন থেকে পালিয়ে সোজা সেখানে হাজির করোনা রোগী

ফের আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড ভারতের, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার প্রায় ৮ হাজার

ফের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মর্মান্তিক পরিণতি, ৪ দিন পর ট্রেনের শৌচালয় থেকে উদ্ধার পচাগলা দেহ

 বিদেশমন্ত্রকের২ করোনা আক্রান্তের মধ্যে একজন সেন্ট্রাল ইউরোপ বিভাগে কর্মরত। আরেকজন আধিকারিক আইন বিভাগে কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের সংস্পর্শে গত কয়েকদিনে যাঁরা এসেছেন তাঁদের প্রত্যেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কতজন আধিকারিককে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হল তা স্পষ্ট করেনি বিদেশমন্ত্রক। ওই দুই বিভাগের ঘর জীবাণুমুক্ত করতে সিল করে দেওয়া হয়েছে। 

করোনা মহামারীর মধ্যে বিদেশের মাটিতে আটকে পড়া ভারতীয়দের বন্দে ভারত মিশনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসছে মোদী সরকার। আর এই বিষয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে বিদেশমন্ত্রক। ইতিমধ্যে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ৫০ হাজার ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আগামী ১৩ জুনের মধ্যে আরও একলক্ষ ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণের  মধ্যেও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন বিদেশ মন্ত্রকের কর্মী-আধিকারিকরা। এবার তাদের মন্ত্রকেও পড়ল করোনার থাবা।