বাড়িতে বাবা-মা কেউ ছিল না। সেই সুযোগে প্রেমিককে বাড়িতে ডেকেছিল মুম্বইয়ের এক ১৭ বছরের এক কিশোরী। হঠাৎই বাড়ি ফিরে আসে তার মা। এরপরই ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে বাড়ির জানলা দিয়ে লাফ মারে সেই কিশোরী। প্রাণে বেঁচে গেলেও সে গুরুতর আহত হয়েছে বলে মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে।

রবিবার মুম্বই পুলিশের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার। শহরতলির জামিল বাজার এলাকায় ওই কিশোরীর বাড়িতে ওই বিকেলে বাবা-মা কেউই ছিলেন না। ফাঁকা ফ্ল্যাটের সুযোগে প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিকভাবে ঘনিষ্ট হওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। বেডরুমে দুজনে যখন আপত্তিকর অবস্থায় চিল, সেই সময়ই তার ওই কিশোরীর মা আচমকা নির্ধারিত সময়ের আগেই ফিরে আসেন।

প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থাতেই ওই কিশোরী বুঝতে পারে তার মা ফিরে এসেছেন। এরপরই মায়ের কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে, সে আর তার প্রেমিক দ্রুত জামাকাপড় পরে নেয়। তারপরই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়েই জানলা দিয়ে লাফ মারে সে। তাদের বাড়ি দোতলায় হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছে তারা। কিন্তু বেকায়দায় পড়ে ওই কিশোরীর বা পায়ের হাড় ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে।

মেয়ে কেন ওভাবে লাফ মারল তা তার পরিবারের লোকজন প্রথমটায় ধরতে পারেনি। হাসপাতালে কিছুটা সুস্থ হওযার পর ওই কিশোরী নিজেই পরিবারের কাছে স্বীকার করে যে তাঁর প্রেমিক ২০ বছরের সুনীল ঝেন্দে তার সঙ্গে বেডরুমে ছিলেন। হঠাৎ মা এসে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে সে ওই কাজ করেছে।

মেয়েটির প্রেমিক অর্থাৎ সুনীল ঝেন্দে-কে কিন্তু ওই কিশোরীর পরিবার ছেড়ে কথা বলেনি। ভিবি নগর থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মেয়েটির পরিবারের সুনীলের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং শিশুদের যৌন  নির্যাতন থেকে সুরক্ষা বা পকসো আইনের আওতায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে সুনীলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।