১৬০তম জন্মদিনে গুগল ডুডল স্মরণ করল দেশের প্রথম মহিলা চিকিৎসক কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়কে। যাঁর জীবন আরও অনুপ্রেড়না দেয় দেশের মানুষ, বিশেষত মহিলাদের।  

রবিবার ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসক কদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানাল গুগল ডুডল। কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় প্রথম মহিলা যিনি ১৮৮৬ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আর সেখান থেকে স্নাতক হন। মহান এই বাঙালি তথা ভারতীয় মহিলার জীবন আর তাঁর আদর্শকে তাঁরই ১৬০ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিল গুগল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ধারালো দাঁত দিয়ে কেটে ২ লক্ষ টাকা কুঁচিকুঁচি করল ইঁদুর, মাথায় হাত গরীব সবজি বিক্রেতার

মাত্র ৯ মিনিটের জন্য 'তিনি' এসেছিলেন, সর্বদলীয় বৈঠক নিয়ে ডেরেকের খোঁচা প্রধানমন্ত্রী মোদীকে

বেঙ্গালুরুর অতিথি শিল্পী ওদ্রিজা গুগল ডুডলটি সাজিয়ে তুলেছেন কাদম্বিনী আর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ছবি দিয়ে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মহিলাদের অধিকার আর উন্নয়ন নিয়ে কাদম্বিনীর সাহসী পদক্ষেপের প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছে গুগল ডুডল। তাঁর ডাক্তারি পড়ার মূল উদ্দেশ্যই ছিল মহিলাদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া। কিন্তু সেই সময় মহিলাদের সাধারণ পড়াশুনা করার অধিকারই ছিল না। মেডিক্যাল কলেজে তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা ছাত্রী। যা নিয়ে তাঁকে একাধিক গঞ্জনাও শুনতে হয়েছিল। কিন্তু তাও তিনি নিজের পথ থেকে সরে আসেননি। রাজনৈতিকভাবেও যথেষ্ট সচেতন ছিলেন কাদম্বিনী। ১৮৮৮ সালে জাতীয় কংগ্রেসের সর্বপ্রথম মহিলা প্রতিনিধিদের মধ্যেই তিনি ছিলেন একজন। 

সাবধান! এই কোম্পানির সানস্ক্রিনে রয়েছে ক্ষতিকারণ রায়াসনিক, যা থেকে হতে পারে ক্যান্সারও

মেডিক্যাল কলেজের স্নাতক হয়েই থেমে থাকেননি কাদম্বিনী। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে অতিরিক্ত তিনটি ডক্টরাল সার্টিফিকেটও তাঁর দখলে ছিল। যা সেযুগে বিরলতম ঘটনা ছিল। ১৮৯০ সালে তিনি নিজের ব্যক্তিগত ক্লিনিক চালু কারর জন্য ভারতে ফিরে এসেছিলেন। তাঁর জীবনী নিয়ে একাধিক কাজ হয়েছে। সম্প্রতী বাংলায় একটি সিরিয়ালও তৈরি হয়েছিল প্রথম কাদম্বিনী নাম দিয়ে। তবে গুগল এমন সময় কাদম্বিনীকে স্মরণ করল যখন গোটা বিশ্বের কাছেই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন চিকিৎসকরা। গত দেড় বছর ধরে করোনাভাইরাসের মহামারির কবলে রয়েছে বিশ্ব। সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর নিরন্ত্রণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে কাদম্বিনীর জীবন শুধু চিকিৎসক সাধারণ মানুষের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।