জনতা কার্ফুর আগে কালোবাজারি রুখতে বাজারের মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারের দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র। জনতা কার্ফু শুরুর আগেই অনেক দোকানিরাই কালোবাজারি করতে মাল স্টকে রাখা শুরু করেছে। কেউ কেউ আবার চড়া দামে বিক্রি করা শুরু করেছে। এই সব কারণেই বাজারের মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারের দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র।

আরও পড়ুন, রেলেও পৌঁছে গেল করোনাভাইরাস, রাজধানী থেকে নামিয়ে দেওয়া হল 'ছাপ মারা' দম্পতিকে

সূত্রের খবর,  করোনার কোপে ইতিমধ্য়েই কলকাতা সহ রাজ্য়ের জেরবার অবস্থা। আর এরই মধ্য়ে করোনার সংক্রমন রুখতে  মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজার কিনতে গিয়ে কার্যত চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার রাজ্য়বাসী। কারন শহরের বেশিরভাগ দোকান থেকেই উধাও   মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজার। তাই জনতা কার্ফু শুরুর আগেই বাজারের মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারের দাম বেধে দিল কেন্দ্র। ৩০ জুন পর্যন্ত ২০০ মিলিমিটারের হ্য়ান্ড স্য়ানিটাইজারের বোতল ১০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না। এছাড়াও ২ প্লাই সার্জিক্য়াল মাস্কের দাম ৮ টাকা এবং ৩ প্লাই সার্জিক্য়াল মাস্কের দাম ১০ টাকা করে বেধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

আরও পড়ুন, আক্রান্ত মহিলাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ, তবে কি এবার সংক্রমণের পরবর্তি ধাপে করোনাভাইরাস

ক্রেতাসুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী রামবিলাস পাশোয়ান শনিবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারের কাঁচামালের দর বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  চলতিমাসের গোড়াতেই  মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারকে অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য় হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।  মূলত  কালোবাজারি রুখতেই মাস্ক এবং স্য়ানিটাইজারের দাম বেঁধে দিয়েছে সরকার। উল্লেখ্য়, গত ১৯ মার্চ হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের দামও বেঁধে দিয়েছে সরকার।

আরও পড়ুন, ছেলের করোনা গোপন, সাসপেন্ড রেলকর্মী মা, এ রাজ্য়ে মহিলা আমলা ছাড় পেলেন কেন, প্রশ্ন নেটদুনিয়ায়