মোটামুটি সরকারি সংস্থাগুলিকে বেচে-টেচেই সরকার চালাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথম মোদী সরকারের সময় থেকেই এইচএমটি ওয়াচ, তুঙ্গভদ্রা স্টিল, ব্রিটিশ ইন্ডিয়া কর্পোরেশন, আইডিপিএল - এর মতো বেশ কিছু সরকারি সংস্থা হয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নয়তো বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ইএসআই-এর মতো আরও বেশ কিছু সংস্থা বেসরকারিকরণের মুখে। এই অবস্থায় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এয়ার ইন্ডিয়া সংস্থাও বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন।

বেশ কিছুদিন ধরেই এয়ার ইন্ডিয়া নিয়ে সমস্যায় রয়েছে সরকার। কোনও ভাবেই লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার পুরি এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন 'এয়ার ইন্ডিয়ারকে বেসরকারি হাতে তুলে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। যেটুকু সময় আছে তাতে তার মধ্যে সেরা চুক্তি আদায় করাটাই লক্ষ্য। অনেকেই এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা নিতে আগ্রহী'।

আরো পড়ুন - আরও সংকটে এয়ার ইন্ডিয়া, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করল তিন রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থা

আরো পড়ুন - উত্তর মেরু সফরে প্রথম কোনও ভারতীয় বিমান সংস্থা, জেনে নিন কবে উড়ান

আরও পড়ুন - ক্রু মেম্বার-পাইলটের বচসার জেরে দেরিতে উড়ান, নয়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন - উড়ান না মারণ ফাঁদ! খারাপ ইঞ্জিনেই চলছে বিমান, গোএয়ার-কে ডেকে পাঠালো ডিজিসিএ

এর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ-এর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রী গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রীসভায় একটি সচিব পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এয়ারইন্ডিয়া ফার্স্ট রেট এয়ারলাইন্স বলে এই সংস্থাকে অধিগ্রহণ করতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তাঁর মতে যার হাতেই যাক এয়ারইন্ডিয়া তিনি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। বেসরকারি বিমান পরিষেবার যে নিয়ম আছে তা মেনে এই সংস্থার থেকে তারা বড় লাভ করতে পারবেন।

প্রশ্ন হল, বেসরকারি সংস্থা যদি এয়ার ইন্ডিয়া অধিগ্রহণ করে লাভ করতে পারে, তাহলে সরকার কেন পারল না? কোথায় খামতি ছিল? নাকি সব সংস্থা বেচেই সরকার চালাবেন ঠিক করেছেন নরেন্দ্র মোদী?