সংক্ষিপ্ত
- চলছিল সংস্থার বোর্ড মিটিং
- বৈঠক চলাকালীন হঠাৎ চলল গুলি
- লুটিয়ে পড়লেন ২ ডিরেক্টর
- আত্মঘাতী হলেন আরেক ডিরেক্টর
চলছিল সংস্থার বোর্ড মিটিং। আর তার মাঝেই রক্তারক্তি অবস্থা। কোম্পানির সিনিয়র ডিরেক্টর গুলি করলেন তার দুই সহকর্মীকে। ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডা।
জানা নাচ্ছে ইউপি টেলিলিংকস লিমিটেড নামের সংস্থার ডিরেক্টর প্রদীপ অগরওয়াল। বৈঠক চলাকালীন তিনি গুলি চালান সংস্থার অপর দুই ডিরেক্টর নরেশ এবং রাকেশের উপরে। জানান সেন্ট্রাল নয়ডার ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ হরীশ চন্দ্র। ওই দুই আধিকারিকের নামের আদ্যক্ষর দেখে তাঁদের সনাক্ত করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: বন্ধুর হাতে খুন হল বন্ধু, রাতভর দেহের সঙ্গে চলল উদ্দাম যৌনতা
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, মিটিং চলাকালীন দুই কর্মীকে গুলি চালানোর পর নিজেও আত্মঘাতী হন প্রদীপ অগরওয়াল। নিজেকেও গুলি করেন তিনি। দিল্লি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে বাদলপুরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা যাচ্ছে গুলি চালানোর এই ঘটনায় প্রদীপ অগরওয়ালের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে সংস্থার আরেক ডিরেক্টর নরেশ গুপ্তার। হাসপাতালে সংকটজনক অবস্থায় রয়েছেন রাকেশ জৈন। ব্যবসায়িক কারণে তিন ডিরেক্টরের মধ্যে বোর্ড মিটিং চলাকালীন ঝামেলা বাঁধে। তার জেরেই মেজাজ হারিয়ে গুলি চালান প্রদীপ অগরওয়াল।
আরও পড়ুন: দল বদলাতেই জ্যোতিরাদিত্যের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা, তদন্ত শুরু করল কমলনাথের সরকার
৫৫ বছরের প্রদীপ অগরওয়াল নিজের কেবিনেই বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে হাজির ছিলেন বছর ষাটের নরেশু গুপ্তা এবং ৫৯ বছরের রাকেশ জৈন। সম্প্রতি ১৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়। তাই নিয়েই চলছিল বৈঠক। হাসপাতালে ভর্তি রাকেশ জৈনের থেকে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি লোকসানে চলছিল সংস্থাটি। এই নিয়েই অগরওয়ালের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয় গুপ্তার। তার পরেই দুই ডিরেক্টরের দিকে নিজের লাইসেন্স রিভলবারের থেকে ৫ রাউন্ড গুলি চালান প্রদীপ অগরওয়াল। ঘটনার সময় সংস্থার দফতরে উপস্থিত ছিলেন ১০জন কর্মী।
১৯৮৪ সালে পথ চলা শুরু করেছিল ইউপি টেলিলিংকস নামের সংস্থাটি। কেবল, ব্যাটারিচালিত গাড়ি উৎপাদন করে থাকে এই সংস্থাটি। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ এবং উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে কারখানা রয়েছে এই সংস্থাটির।