মহামারির সঙ্গে লড়াই করার জন্য টিকা ওপরই ভরসা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্রুততার সঙ্গে যাতে নগরিকদের টিকা প্রদান করা যায় প্রয়োজনে সেই পদক্ষেপও গ্রহণ করা হতে পারে। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন তেমনই জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, টিকা প্রদানের জন্য নির্ধারিত কোনও সময়সূচিতে দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে না। যেকোনও দিনয়ই টিকাপ্রদানের সময়সীমান বাড়ানো হতে পারে। সরকার টিকা প্রদানের গতি বাড়াতে সময়ের সীমাবদ্ধতা দূর করেছে। গ্রাহকদের সুবিধের কথা ভেবে প্রয়োজনে সাত দিনের ২৪ ঘণ্টাই টিকা দিতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাগরিকদের সময় ও স্বাস্থ্য দুটোরই গুরুত্ব বোঝেন। 


স্বাস্থ্য মন্ত্রী একটি দৈনিকের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলি লোকেদের টিকা দেওয়ার জন্য যে কোনও সময়ের উইন্ডো বেছে নিতে পারে। তবে যেহেতু ইনসোকুলেশন ড্রাইভের সঙ্গে জড়িত নয়  এমন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল গুলি সরকারের কোউইন অ্যাপে ও ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য সরকার অনুমোদিত নমনীয় শিডিউল তৈরি করাই শ্রেয়। কোউইন পোর্টালের মাধ্যমে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালগুলি যদি চায় তারও বেশি সময় ধরে টিকা প্রদান করতে পারে। তিনি আরও বলেছেন প্রয়োজেন রাত ৮টা পর্যন্ত টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে পারে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলি। চাইলে হাসপাতালগুলি সকাল ৮টা থেকে টিকা প্রদান করতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে হাসপাতালগুলিকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলতে হবে বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। 

অনুরাগ কাশ্যপ, তাপসী পান্নুর বাড়িতে আয়কর হানা, অভিযোগ ফ্যান্টম ফিল্ম আয়কর ফাঁকি দিচ্ছে ...

ঠাকুমার ভুল স্বীকার করলেন নাতি, রাহুল গান্ধী বলেন জরুরি অবস্থা ছিল ইন্দিরার ভুল সিদ্ধান

টিকা প্রদানের সময় বাড়ানোর আরও একটি কারণ হল টিকা-কেন্দ্রগুলিতে ভিড় এড়িয়ে চলা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সরকার টিকা প্রদানেপ সময় ভাগ করতে চায়নি। হাসপাতালগুলি চাইলে সময় ভাগ করতে পারে। তাদের সামর্থ্যের ওপর সকাল বা বিকেল যে কোনও সময়ই তারা টিকা দিতে পারে। যদি দেখা যায় টিকা প্রদানের কারণে ভিড় খুব বেড়ে যাচ্ছে তাহলে সিস্টেম পরিবর্তন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে ১৫-১ মাসের জন্য টিকা স্টল খুলতে হবে।বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও ভ্যাকসিন কর্মসূচির অংশ হতে হবে বলেও জানান হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত দুইদিনে ৯.৯০ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ৫ লক্ষ ২২ হাজার বয়স্ক ব্যক্তি টিকা পেয়েছে। ৪৫ এর ওপরে কোমরবিডিড রোগীদের মধ্যে টিকা পেয়েছে ৭১ হাজার ৮৯৬ জন। এখনও পর্যন্ত সরকারি ভ্যাকসিনের পরিমাণ ১.৫৬ কোটি।