দেশে করোনা আক্রান্তের  সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যার জেরে সব ভুলে করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঘরে ঘরে। পরিসংখ্য়ান বলছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২৫ ছাড়িয়েছে। মারণ ভাইরাস  থেকে বাঁচতে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যদিও দেখা যাচ্ছে, ভুলভাবে মাস্ক পরে উল্টে নিজেদের ক্ষতি করছে অধিকাংশ। যার জেরে এবার মাস্ক নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক। 

ধেয়ে আসছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, রাজ্যের একাধিক অঞ্চলে আবারও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস

কী বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক বলেছে, কাশি, জ্বর অথবা শ্বাসকষ্ট হলে তবেই মাস্ক পরুন। কোনও জনবহুল জায়গায় গেলে বা গণ পরিবহণে য়াত্রা করলে মাস্ক পরতে পারেন। শরীরে করোনা ভাইরাস সন্দেহে আলাদা রয়েছেন এরকম ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার আগে মাস্ক পরা উচিত। এই বিধি স্বাস্থ্য় ককর্মীদের জন্য সবথেকে বেশি প্রযোজ্য।

এখানেই শেষ নয়। বাড়িতে কেউ হাসপাতালে করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসছেন এরকম ব্যক্তির সামনে মাস্ক ব্য়বহার করুন। স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের মতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল ভাবে মাস্ক পরে নিজেদের বিপদ বাড়াচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। মাস্ক পরার সময় ঢাকা অংশটা ভিতরে পরতে হবে। উল্টে করে মাস্ক পরলে লাভের  লাভ কিছুই হবে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাস্ক সাধারণত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অন্তর ভিজে যায়। সেই সময় আর পুরোনো মাস্ক পরা চলবে না। 

১২ দিনেও ছাড়েনি জ্বর,পুণে থেকে বর্ধমানে ফিরতেই আইসোলেশনে রাজমিস্ত্রি

অনেকেই মাস্ক পরলেও মুখে ফাঁকা থেকে যায়। ফলে বাইরের হাওয়া ঢোকার জায়গা থাকে মাস্কে। যার জেরে ফাক গলে ভাইরাসে ঢোকার সম্ভাবনা থেকে যায় এই ক্ষেত্রে। তাই চিবুক, মুখ এবং নাক ঢেকে রাখে এমন মাস্ক পরতে হবে। নির্দেশিকা বলছে,কখনোই ব্যবহার করা মাস্ক আর পরা যাবে না। ব্যবহারের পর সেটি  ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া উচিত।

করোনার চিকিৎসা এড়িয়ে পালালে গ্রেফতার, রাজ্য়ে জারি মহামারী আইন

এখানেই শেষ নয় মাস্ক ব্যবহারের বিধি। ব্যবহারের সময় মাস্ক না ছোঁয়াই ভালো। অন্য়থায়  হাতের জীবাণু ঢুকে যেতে পারে মাস্কে। মাস্ক ব্যবহারের পর তা কখোনোই গলায় ঝুলিয়ে রাখা ঠিক নয়। নিজে মাস্ক খোলার পরই সাবান অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া উচিত।