Heatwave Special Zoo: দিল্লি থেকে লখনৌ, কলকাতা থেকে মুম্বই, রাজস্থান থেকে রোহতাক। দেশের অধিকাংশ জায়গায় এখন রীতিমত তাপপ্রবাহ চলছে। প্রচণ্ড গরমে যখন মানুষের নাজেহাল অবস্থা, তখন পশুদেরও এই তাপপ্রবাহে বেশ কষ্ট হচ্ছে। 

Heatwave Special Zoo: দিল্লি থেকে লখনৌ, কলকাতা থেকে মুম্বই, রাজস্থান থেকে রোহতাক। দেশের অধিকাংশ জায়গায় এখন রীতিমত তাপপ্রবাহ চলছে। প্রচণ্ড গরমে যখন মানুষের নাজেহাল অবস্থা, তখন পশুদেরও এই তাপপ্রবাহে বেশ কষ্ট হচ্ছে। আর তীব্র গরমে পশুদের স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছে প্রশাসন। ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরের বিখ্যাত নন্দনকান জুলজিক্যাল পার্ক (Nandankanan Zoological Park)–এ হাতিদের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ গ্রীষ্মকালীন ব্যবস্থা। তাপপ্রবাহের মধ্যে যাতে তারা সুস্থ ও স্বস্তিতে থাকে, তার জন্য চালু করা হয়েছে একাধিক বিশেষ পরিচর্যার ব্যবস্থা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তীব্র গরমে হাতিদের নিয়েই কেন বেশ সজাগ থাকতে হয়

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের মতে, হাতি অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রাণী এবং অতিরিক্ত গরম তাদের শরীরে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই সময়ে তাদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত স্নানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর হাতিদের জল দিয়ে ধোয়ানো হচ্ছে যাতে তারা স্বস্তি পায়। শুধু স্নানই নয়, হাতিদের থাকার জায়গায় বসানো হয়েছে বিশেষ ওভারহেড স্প্রিঙ্কলার ব্যবস্থা। এই স্প্রিঙ্কলার থেকে ক্রমাগত জল ছিটিয়ে পরিবেশকে ঠান্ডা রাখা হচ্ছে। এর ফলে ঘেরাটোপের ভেতরে তৈরি হচ্ছে শীতল ও আরামদায়ক পরিবেশ, যা হাতিদের গরমের চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

তীব্র গরমে চিড়িয়াখানায় হাতিদের খাবারে কী বদল

খাবারের তালিকাতেও আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন। গরমের কথা মাথায় রেখে হাতিদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ডায়েট। প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে রাখা হচ্ছে তরমুজ, পেঁপে, কলার মতো জলসমৃদ্ধ ফল। এগুলি একদিকে যেমন শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করছে, তেমনই পুষ্টিও জোগাচ্ছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাপপ্রবাহ চলাকালীন হাতিদের স্বাস্থ্যের উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। মাহুতরাও এই পরিচর্যায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। হাতিদের আচরণ, খাবার গ্রহণ এবং শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে প্রতিদিন।

নন্দনকানন চিড়িয়াখানায় কী কী বিশেষ ব্যবস্থা

প্রাণীপ্রেমীদের একাংশের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু পশুদের সুরক্ষা নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রাণী পরিচর্যা নিয়ে সচেতনতা বাড়ায়। প্রকৃতিতেও হাতিরা তীব্র গরমে জলাশয় ও ছায়াযুক্ত জায়গা খোঁজে। সেই অভ্যাসকে মাথায় রেখেই আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নন্দনকানন চিড়িয়াখানায় তৈরি করা হয়েছে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ। প্রচণ্ড গরম না কমা পর্যন্ত এই বিশেষ পরিচর্যা চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রাণীদের সুস্থতা ও আরাম নিশ্চিত করতে নন্দনকাননের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।