মহামারির মধ্যেই ফাঁস স্বাস্থ্য বিভাগের ঘুস কেলেঙ্কারিপদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন হিমাচল প্রদেশের বিজেপি সভাপতিতিনি অবশ্য ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেছেনইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের ডিরেক্টর 

মহা-বিড়ম্বনায় পড়ল বিজেপি। বুধবার ঘুস কাণ্ডে নাম জড়ানোয় পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন হিমাচল প্রদেশের বিজেপি সভাপতি রাজীব বিন্দাল। করোনাভাইরাস-এর মহামারির সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের আর্থিক কেলেঙ্কারি। গত ২০ মে গ্রেফতার করা হয়েছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাক্তন ডিরেক্টর ডাক্তার এ কে গুপ্ত-কে। ওই একই মামলায় নাম জড়িয়ে সরে দল থেকে সরে যেতে হল রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিন্দাল-কে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

শুধু প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রীই নন, রাজীব বিন্দাল পাঁচবারের বিধায়ক এবং রাজ্য বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার-ও বটে। সেইসঙ্গে বিজেপির সর্বাভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠও এই বিশিষ্ট নেতা। বিন্দাল-কে বিজেপির রাজ্য সভাপতি মনোনীত করার সময়ে নাড্ডা তাঁর 'সাংগঠনিক দক্ষতা'র ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন।

দলীয় পদ থেকে সরে গেলেও সর্ববারতীয় সভাপতিকে লেখা চিঠিতে বিন্দাল দাবি করেছেন, এই কেলেঙ্কারিতে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই। তবে ঘটনার নৈতিক দায় নিয়ে তিনি সরে যাচ্ছেন।

একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত সংরঞ্জাম কেনার চুক্তি পাকা করার জন্য সরবরাহকারী সংস্থার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন ডাক্তার এ কে গুপ্ত। তাঁর সেই কথোপকথনের অডিও রেকর্ডিং গত ২০ মে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তার পরই তাঁকে বরখাস্ত করা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। এই মুহূর্তে তাঁর বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্স বিভাগ তদন্ত করছে।

বিরোধী কংগ্রেস অবশ্য এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে রাজীব বিন্দাল বরাবরই তাঁর নিজের বা কোনও বিজেপি নেতার এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে এসেছেন। এদিনও তিনি পদত্যাগ করে বলেছেন, ঘটনার নৈতিক দায় নিয়ে তিনি সরে গেলেন, কিন্তু কেলেঙ্কারিতে তিনি জড়িত নেই। তবে বিরোধীরা বলছেন, নৈতিক দায় শুধুই কথার কথা। ঠিকমতো তদন্ত হলেই সব জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাবে বিজেপির সদ্যপ্রাক্তন রাজ্য সভাপতির।