হিন্দি দিবসে এক দেশ এক ভাষার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বলেছিলেন হিন্দিই একমাত্র ভাষা যা দেশের ঐক্যকে ধরে রাখতে পারে। যা নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দক্ষিণের রাজ্যের বিজেপির সঙ্গী দলগুলিও বিরোধিতা করেছে। বুধবার আবার থালাইভা রজনীকান্তও এর নিন্দজা করেছেন। এই চাপের মুখে পিছু হটতে বাধ্য বলেন অমিত শাহ।

এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করলেন, তিনি কখনই হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেননি। বরাবরই তিনি আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে জোরদার করার পক্ষেই মত দিয়েছেন। হিন্দিকে তিনি দ্বিতীয় ভাষা করার কথা বলেছেন। তিনি জানান, তিনি নিজেও একটি অহিন্দিভাষী রাজ্যের বাসিন্দা। গুজরাত রাজ্যের প্রধান ভাষা গুজরাতি, হিন্দি নয়। স্রেফ রাজনীতি করার জন্যই তিনি অহিন্দিভাষী রাজ্যগুলিতে হিন্দি চাপিয়ে দিতে চাইছেন হলে প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

হিন্দি দিবসে অমিত শাহ-এর ওই বক্তৃতার পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছিল দক্ষিণের রাজ্যগুলি থেকে। এর আগে বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপি তথা মোদী সরকারের পাশে দাঁড়ালেও এই বিতর্কে ভিন্ন মেরুতে অবস্থান নিয়েছেন দক্ষিণী তারকা রজনীকান্তও। তিনি বলেন এক দেশে একটি সাধারণ ভাষা থাকলে তা দেশের অগ্রগতির জন্য অবশ্যি সহায়ক হয়। কিন্তু ভারতের কোনও সাধারণ ভাষা নেই। হিন্দি চাপিয়ে দিতে চাইলে তা কেউ মেনে নেবে না। তামিলনাড়ুতে তো নয়ই।