এবার গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে রীতিমত কোমর বেঁধে নামছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানান হয়েছে, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট আর ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক তছরুপের অভিযোগের তদন্ত হবে। তার জন্য একটি অন্তঃমন্ত্রণায়ল কমিটি তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রকের তরফ থেকে আরও জানান হয়েছে তদন্ত কমিটির মাথায় রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের এক আধিকারিক। সিবিআইও এই কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করবে বলে জানান হয়েছে। 


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা দিয়ে জানান হয়েছে গান্ধী পরিবার পরিচালিত তিনটি ট্রাস্টের মাধ্যমে  প্রিভেনশন অফ মনি লন্ডারিং আইন, আয়কর আইন আর  ফরেন কনট্রিবিউশন (রেগুলেশন) আইন ভাঙার অভিযোগ উঠেছ। আর তা খতিয়ে দেখতেই তৈরি হয়েছে তদন্ত কমিটি। 

বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা গতমাসেই রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল ইউপিএ আমলে মনমোহন সিং যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহলবিল থেকে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে আর্থিক অনুদান দিয়েছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ ছিল দেশের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতেই তৈরি হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল। আর এই ত্রাণ তহবিলের বোর্ড সদস্য ছিলেন সনিয়া গান্ধী। তিনিই ছিলেন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের প্রধান। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার অভিযোগ ছিল নৈতিকতা বিসর্জন দেওয়ার পাশাপাশি গোটা প্রক্রিয়ায় কোনও স্বচ্ছতাও বজায় রাখা হয়নি। 

গালওয়ানে ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাফার জোন, ড্রোন আর স্যাটেলাইটে চিনের ওপর নজর ভারতের ...
 

লকডাউনের ভারতে বেড়েছে নারী নির্যাতনের ঘটনা, কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ...
১৯৯১ সালে তৈরি হওয়ায় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের মাথায় রয়েছেন সনিয়া গান্ধী। এই ট্রাস্টের বাকি সদস্যরা হলেন রাহুল গান্ধি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়়রা, মনমোহন সিং আর পি চিদম্বরম। ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্টেরও দায়িত্বে রয়েছেন সনিয়া। 


বিজেপির আরও অভিযোগ রয়েছে, তা হল ১৯৯৯ সালে অর্থমন্ত্রী থাকার সময় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন মনমোহন সিং। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস।