গালওয়ান ও হটস্প্রিং এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই সমস্ত সেনা ও সেনা তাবু সরিয়ে নিয়েছে পিপিলস লিবারেশন আর্মি। ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রে খবর এখনও গোগরা এলাকায় রয়েছে চিনা সেনা। বুধবার রাতের মধ্য গোগরা এলাকা থেকে চিনা সেনা সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে। কিন্তু এখনও ভারতীয় সেনা বাহিনী রীতিমত সতর্ক রয়েছে।  চিনা সেনার ওপর নজরদারী চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দুই দেশের সেনা বাহিনী একটি বাফার জোন তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই বাফার জোনের দুই প্রান্তেই মোতায়েন থাকবে সেনা বাহিনী। 

গালওয়ান ফ্ল্যাস পয়েন্ট এলাকায় ৪ কিলোমিটারের বাফার জোন তৈরি হয়েছে। গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকার ১৪ নম্বর পেট্রোল পয়েন্ট এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে ছিল দুই দেশের সেনা বাহিনী। যেখানে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়। সরকারিভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ না করলেও চিনের ৪৫ সেনা নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 

লকডাউনের ভারতে বেড়েছে নারী নির্যাতনের ঘটনা, কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ...
বাফার জোন তৈরির অর্থই এই ১৪ নম্বর পোট্রেল পয়েন্ট এলাকায় দুই সেনা বাহিনীর টহল সীমাবদ্ধ থাকবে। কয়েকজন সমর বিশেষজ্ঞ এটিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু অনেকেই সতর্ক করেছেন এই টহল যেন দীর্ঘমেয়াদী না হয়। দীর্ঘ মেয়াদী টহল প্রক্রিয়া শুরু হলেই ভারতের অধিবার ক্ষুন্ন হবে। 

'রাহুল গান্ধী চিকিৎসক নন', ভেন্টিলেটর প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রধানের কটাক্ষ ...

বাড়িতে তৈরি হল ভেন্টিলেটরযুক্ত করোনা হাসপাতাল, আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি চিকিৎসাধীন ...

ভারতীয় সেনা বাহিনী সূত্রের খবর গালওয়ান হট স্প্রিয়ং ও গোগরা এলাকায় পারস্পরিক সেনা  প্রত্যাহারের পরেও ভারতীয় সেনা ড্রোন ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে চিনা সেনার অবস্থান সম্পর্কে কড়া নজর রেখে চলেছে। উভয় সেনার মধ্যে চালু হয়েছে একটি হটলাইনও। বাফার জোনের আশপাশে সেনা টহল হলেও জোনের মধ্যে কোনও দেশের সেনাই টহল দিতে পারবে না বলে সেনা সূত্রের খবর। 

সংঘর্ষ স্থল থেকে দুই দেশের সেনাই প্রত্যাহার করা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পর্যাক্রমে সেনা বাহিনীর জওয়ানদের আরও সরিয়ে নেওয়ার হতে পারে। আর দুই দেশের এই পদক্ষেপ গ্রহণের পরেই আগের পরিস্থিতি ফেরে আসবে বলে মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা।