India economy:ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই অবস্থায় ভারতীয় অর্থনীতিতে নয়া মোড়। কারণ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারন্যাশানাল মনিটরি ফান্ড বা IMA নতুন রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে 

India economy: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা (Pahalgam Terror Attack) নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই অবস্থায় ভারতীয় অর্থনীতিতে (India economy) নয়া মোড়। কারণ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারন্যাশানাল মনিটরি ফান্ড বা IMA নতুন রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। তাতেই বলা হয়েছে চলতি বছরই ভারত (India) বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। আর ২০২৮ সালের মধ্যেই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জাপানকে টেক্কা

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক এপ্রিল মাসে প্রকাশিত রিপোর্ট দাবি করা হয়েছে ২০২৫ সালের অর্থাৎ ২০২৫-২৬ সালে ভারতের নূন্যতম জিডিপি ৪১৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পেরিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাতেই ভারত টেক্কা দেবে জাপানকে। তাতেই ভারত পৌঁছে যাবে চতুর্থস্থানে।

ভারতীয় অর্থনীতি

২০২৪ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। চলতি প্রথম প্রথম অর্ধ পঞ্চম অর্থনীতির দেশই রয়েছে ভারত। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই জাপানকে টেক্কা দেবে ভারত। জাপানকে টপকে পৌঁছে যাবে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে। আগামী কয়েক বছরে ভারত অর্থনীতিতে পিছনে ফেলে দেবে জার্মানিকে। ২০২৮ সালে ভারতীয় জিডিপি পৌঁছে যেতে পারে ৫৫৮৪.৪৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা জার্মানির ৫২৫১.৯২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়ে বেশি হবে। আইএফএফ-এর পূর্বাভাস তার আগেই অর্থাৎ ২০২৭ সালে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে ভারতীয় অর্থনীতি।

অর্থনীতিতে প্রথম

অর্থিনীতির লড়াইয়ে প্রথম দশে থাকা দুটি দেশ হল আমেরিকা আর চিন। ২০২৫ সালেও আমেরিকা আর চিনের অর্থনৈতিক অবস্থান খুব একটা বদলাবে না। অন্য কোনও দেশও প্রথম ২এ পৌঁছাতে পারবে না বলেও অনুমান IMF-এর। তবে দুটি দেশের মধ্যে অর্থনীতির যুদ্ধ অব্যহত থাকবে। জানুয়ারি মাসেও IMF একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, সেখানে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল যে ৬.৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি হতে পারে। এপ্রিল মাসের রিপোর্টে সেটা কমিয়ে ৬.২ শতাংশ করা হয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের জেরে বৃদ্ধির হার কমেছে বলে জানিয়েছে রিপোর্ট। ভারতের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের আর্থিক বৃদ্ধির হার তুলনায় স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করেছে ওই রিপোর্ট।