করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। জম্মু ও কাশ্মীরে আক্রান্তের সংখ্যা ৬১৪। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। তবে অনেক মানুষই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেগেছেন।  গতবছর থেকেই লকডাউন দেখেথিল উপত্যকা। এবছর ছবিটা তেমন কিছু বদলায়নি। রাজ্যের মর্যাদা খুয়েই গতবছরই কেন্দ্র শাসিত এলাকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর। বিচ্ছিন্ন হয়েগেছে লাদাক। শান্তি বজায় রাখতে গোটা এলাকায় জারি করা হয়েছিল কারফুউ। টহল দিচ্ছিল সেনা। কিন্তু বছর ঘরতে না ঘুরতেই করোনা সংক্রমণ থাবা বসিয়েছে উপত্যকায়। যার ফলে গোটা দেশের সঙ্গে লকডাউন চলথে পাহাড়ি এই এলাকায়েও। 

কেন্দ্রীয় সরকারে নির্দেশ অনুসারে শ্রীনগর, বন্দিপোরা, অনন্তনাগ আর সোফিয়ান-এই চারটি এলাকা রেড ডোনের অন্তর্গত। বারামুল্লা, কুপওয়াড়াসহ  বারোটি জেলা কমলা জোনের অন্তর্গত। সবুজ জোনে রয়েছে পুলওয়ামা, ডোডা, পুঞ্চ, কিস্তওয়ার। স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে জানান হয়েছে করোনা মোকাবিলায় সবথেকে বেশি পরীক্ষ হয়েছে এই এলাকায়। 

আরও পড়ুনঃ লকডাউনের ভারতে বাড়ি ফেরা থেকে বিয়ে করতে যাওয়া, সবেতেই ভরসা সাইকেল ...

আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর শেয়ার করা ভাইরাল ভিডিও, দেখুন হাসপাতাল থেকে ফিরে কী ভাবে ঘরে ঢুকলেন চিকিৎসক ..

আরও পড়ুনঃ রাজ্যগুলির দাবি মেনে নিয়ে অভিবাসীদের জন্য বিশেষ ট্রেনের ছাড়পত্র কেন্দ্রের, দ্বিতীয় ট্রেন কেরল থেকে...

গোটা দেশের সঙ্গে লকডাউনে সামিল হয়েছে উপত্যকাও। বন্ধ রয়েছে দোকান বাজার। যান চলাচলও প্রায় স্তব্ধ। সেনাবাহিনীর গাড়ি আর জরুরী পরিষেবার গাড়ি চলাচল অব্যহত। এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করতে খোলা রয়েছে ডাল লেকে ভাসমান বাজার। সবজি থেকে চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে হাজির হচ্ছেন গুলজার। তাঁর কথায় সবজি মণ্ডি খোলা থেকে ভোর ৫টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত। কিন্তু এই ডাল লেকেরই এই ভাসমান বাজার কখনই বন্ধ হয় না।  স্থানীয় বাসিন্দাদের নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্য পৌঁছে দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু বিক্রেতাদের আক্ষেপ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম ক্রেতাই আসেন এই সময়য়ে।