India Bloc Protest Delhi: জানা গেছে, রবিবার ভোর থেকেই সেখানে জমায়েত শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর সমর্থকরা। পাশাপাশি বিরোধী ঐক্যের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী এবং আধাসেনা। ইতিমধ্যেই হুডখোলা গাড়িতে 'ইন্ডিয়া' ব্লকের নেতৃত্বরা রওনা দিয়েছেন।
India Bloc Protest Delhi: ঐতিহাসিক সমাবেশের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে দিল্লির রামলীলা ময়দান? অন্তত ভোর থেকে যেভাবে জমায়েত বাড়তে শুরু করেছে, তাতে অনেকে সেইরকমটাই মনে করছেন। জানা গেছে, রবিবার ভোর থেকেই সেখানে জমায়েত শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর সমর্থকরা (India Bloc Protest Delhi)। পাশাপাশি বিরোধী ঐক্যের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী এবং আধাসেনা। ইতিমধ্যেই হুডখোলা গাড়িতে 'ইন্ডিয়া' ব্লকের নেতৃত্বরা রওনা দিয়েছেন। এই মুহূর্তে কার্যত, জনসমুদ্র দেখা যাচ্ছে দিল্লির রামলীলা ময়দানে (INDIA Bloc Protest Today)।

ভোর থেকেই শুরু জমায়েত! ক্রমশই ভিড় বাড়ছে রামলীলা ময়দানে
অন্যদিকে, সিপিএম-এর ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর মিছিল সেখানে পৌঁছে গেছে। সিপিএম সহ বাম শরিক দলগুলির উচ্চতর নেতৃত্বরাও আছেন সেখানে। দিল্লি পুলিশের ডিসিপি (সেন্ট্রাল) রোহিত রাজবীর জানিয়েছেন, ভোর ৫.৩০ মিনিট থেকে থেকে রামলীলা ময়দানে জমায়েত শুরু হয়ে গেছে। অপরদিকে, কনট প্লেস থেকে শুরু হবে কংগ্রেসের মিছিল। যেটি গিয়ে পৌঁছবে রামলীলা ময়দানে। বিরোধীরা দাবি করছেন, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত হতে পারে রবিবার।
হুডখোলা গাড়িতে 'ইন্ডিয়া' ব্লকের নেতৃত্বরা
এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, সিপিআই নেতা ডি রাজারা একসঙ্গে রামলীলা ময়দানের পথে। সঙ্গে আছেন অখিলেশ যাদব এবং অভিষেক ব্যানার্জি সহ অন্যান্য নেতৃত্বরাও। একই গাড়িয়ে রয়েছেন সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। হুডখোলা গাড়িতে বসেই ভিডিও বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি লিখলেন, “আমরা সবাইকে বলেছিলাম যে, আপনারা যখন এখানে মিছিল এবং বিশাল সমাবেশে আসবেন, তখন কিছু কেনাকাটা করবেন। কিন্তু এখানে কনট প্লেসে আসার পর দেখলাম, বিজেপি জোর করে সব দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে। সুতরাং, ব্যবসায়ীদের ক্ষতি আদতে কে করছে এবং কীভাবে তা ঘটছে, তা আপনাদের জানা উচিত!"

সিপিএম-এর বিশাল মিছিল হরকিষাণ সিং সুরজিত ভবন থেকে বেরিয়ে রামলীলা ময়দানে এসে পৌঁছয়। ছাত্র-যুব এবং মহিলা কর্মীদের বিশাল জমায়েত দেখা গেল। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানালেন, “আমার গোটা জীবনে দিল্লিতে এমন বড় সমাবেশ এর আগে কখনও দেখিনি। হয়ত সুদূর অতীতে কখনও এমনটা হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, যখন ক্ষমতায় বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী দায়িত্বে রয়েছেন, তখন জনস্রোতের এমন বিশাল জোয়ার দেখাটা আমার কাছে অভূতপূর্ব। এমনটা আমি আগে কখনও শুনিনি বা দেখিনি। এটি প্রমাণ করে দেয় যে, বিজেপির বিদায়ের দিন ঘনিয়ে আসছে। তাদের বিদায় এখন একপ্রকার নিশ্চিত বাস্তবতা।"
![]()
সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অবধেশ প্রসাদ বলেন, “এই সমাবেশের উদ্দেশ্য কাউকে ক্ষতি করা নয়। বরং, এর লক্ষ্য হল, এই দেশে গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখা—ভোটাধিকার রক্ষা করা, যা বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকর প্রদান করেছিলেন। এটি একটি ঐতিহাসিক সমাবেশ হতে চলেছে এবং এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল থাকবে।"

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।




