সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে দেশের নাম পরিবর্তনের শীর্ষ আদালত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে না। সংবিধানে ইন্ডিয়াকে ভারত বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট আবেদনটি উপযুক্ত মন্ত্রকের প্রতিনিধিত্ব হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। যার অর্থ, পিটিশন তার অনুরোধ সরকারের পাঠাতে পারে। 


ভারতের নাম পরিবর্তন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। শীর্ষ আদালত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। বুধবার দেশের নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত মামলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 'ইন্ডিয়া' বাদ দিয়ে শুধুমাত্র 'ভারত' নাম ব্যবহার করা হোক। এই আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন দিল্লির এর ব্যবসায়ী। তিনি দেশের নাম  'ভারত' বা  'হিন্দুস্থান' রাখার পক্ষেই সওয়াল করেছিলেন।

পিএম কোয়ারস ফান্ড থেকে প্রবাসী শ্রমিকদের ১০ হাজার টাকা দেওয়ার আবেদন মমতার, সমালোচনা রাহুলের ... 

অভিনব মাস্ক তৈরি ব্যাংককের বিউটি ক্লিনিকে, ব্যবহারে অটুট থাকবে সৌন্দর্য .

উপত্যকায় এনকাউন্টারে হত 'ফৌজি ভাই', বোমা তৈরিতে সিদ্ধহস্ত জইশ জঙ্গি ..
আবেদনকারীর যুক্তি ছিল ইন্ডিয়া নামটি দেশের মাটি থেকে তৈরি হয়নি। এটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে। যার উৎস ইন্ডিকা। আবেদনকারী আরও বলেছিলেন, ইন্ডিয়া নামটি মুছে ফেলা প্রতীকি হলেও এটি আমাদের নিজস্ব জাতীয়তা বোধ জাগিয়ে তুলবে। যা আগামী প্রজন্মের কাছেই দেশাত্ববোধের পরিচয় দেবে। ইন্ডিয়া শব্দটির পরিবর্তে ভারত শদ্বটি ব্যবহার করলে স্বাধীনতার লড়াই আরও বেশি মর্যাদা পাবে। ভারত মাতা কি জয়- এই শব্দটি দেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বলেও  দাবি করেছিলেন আবেদনকারী। 

ব্রিশিট শাসিত ভারত হিন্দুস্তান নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু যা নিয়ে সেই সময় রীতিমত বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবিধানের খসড়া তৈরির সময় বিআর আম্বেডকার যুক্তি দিয়েছিলেন, দেশটি বিশ্বের কাছে ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ছিল। তাই তা বজায় রাখা উচিৎ। অবশেষে মধ্যপন্থা অবলম্বন করে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১(১) বলা হয়েছে, ইন্ডিয়া, সেটাই ভারত, যা কতগুলি রাজ্যের সমষ্টি। 

২০১৬ সালেও দেশের নাম পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। সেই সময় সেই আবেদনও খারিজ করে দেওয়া হয়েছিল।  বহু বিতর্ক থাকলেও দেশ স্বাধীনের পর  সংবিধানে ভারত ও ইন্ডিয়া দুটি নামই গৃহীত হয়েছিল।