দেশে কিছুটা হলেও কমল দৈনিক সংক্রমণ সুস্থতার হার ৮০ শতাংশের গণ্ডি পার করেছে তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা অনেকটাই কম হয়েছে দেশে সংক্রমণের হার বেড়ে হয়েছে ১১.৮৯ শতাংশ

দেশে চলছে আনলক ৪। তারমধ্যেই সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। তবে এর মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আশার আলো। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ লক্ষ ছাড়ালেও টানা ৫ দিন পর দৈনিক সংক্রমণ ৯০ হাজারের নিচে নামল। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৮৬ হাজার ৯৬১ জন। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৫৪ লক্ষ ৮৭ হাজার। তবে দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও এখনও আমেরিকা ও ব্রাজিলের থেকে এগিয়ে ভারত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে বিশ্বে দৈনিক সবচেয়ে বেশি কোভিড রোগী শনাক্ত হচ্ছে ভারতে। মোট আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরই এখন ভারতের অবস্থান। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

Scroll to load tweet…

এদিকে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনার বলি হয়েছেন ১,১৩০ জন। ফলে দেশে কোভিড ১৯ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৭ হাজার ৮৮২। এদিকে দেশে সুস্থতার হার নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। বিশ্বে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ১৯ শতাংশই ভারতের। এমনই পরিসংখ্যান মিলছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, এই মুহূর্তের এটাই বিশ্বের সর্বোচ্চ সুস্থতার হার। দেশে বর্তমানে করোনা জয়ীর সংখ্যা হয়েছে ৪৩ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৯৯। ফলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এখন ভারতে ১০ লক্ষ ৩ হাজার ২৯৯। অর্থাৎ দেশের মোট করোনা সংক্রমিতের ৮০ শতাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রবিবার দেশে আক্রান্তের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ছিল বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৫৬ জন। ভারতে মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮০.১২ শতাংশ।

প্রতি দিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার। সোমবার সেই হার বেড়ে হয়েছে ১১.৮৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৭ লক্ষ ৩১ হাজার ৫৩৪ জনের। যা গত গত ১০ দিনের তুলনায় অনেকটা কম। আর দেশে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ছয় কোটি ৪৩ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৪টি নমুনা।

দেশে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এরপর রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও উত্তর প্রদেশে। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে দিল্লি, আর সপ্তমে পশ্চিমবঙ্গ। 

এদিকে করোনা সংক্রমণ প্রতিদিন যতই লাফিয়ে বাড়ুক, দেশে গোষ্ঠী সংক্রমণ এখনও শুরু হয়নি। মাত্র ১০টি রাজ্যে করোনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছিয়েছে, তাও সেগুলি কয়েকটি নির্দিষ্ট জেলায় সীমাবদ্ধ। জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

 রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টাখানেকের একটি আলোচনা সভা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় করোনা পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। ১০টি রাজ্যে দেশের ৭৭ শতাংশ অ্যাকটিভ করোনা আক্রান্ত রয়েছেন, তাও সেগুলি রাজ্যগুলির সর্বত্র নয়, কয়েকটি জেলার মধ্যে কার্যত তা সীমাবদ্ধ। চলিত মাসের শুরুতেই কেন্দ্র জানিয়েছিল, তিনটি রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা সব থেকে বেশি- মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও অন্ধ্র প্রদেশ। এই তিন রাজ্যের ১৭টি জেলায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত রয়েছেন।