রাফাল যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেইমত ভারতীয় বায়ু সেনা সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে উদ্যোগ নিয়েছে। সূত্রের খবর খুব তাড়াতাড়ি রাফাল যুদ্ধ বিমানগুলিকে হ্যামার ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত করা হবে। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে সেই বিষয়ে কথা বলা শুরু করেছে ভারতীয় বায়ু সেনা।  পূর্ব লাদাখ ক্রমশই বাড়তে থাকা চিনা অগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানান হয়েছে। 

হ্যামার পুরো কথা বল হাইলি এগাইল মডিউলার মিউনিশন এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ। এটি মাঝারি পরিসরে বায়ু থেকে মাটিতে থাকা শত্রুপক্ষকে নিশানা করেতে সক্ষম। প্রাথমিকভাবে ফরাসি বিমান আর নৌবাহিনীর জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছিষ 

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের কথায়, হ্যামার  পূর্ব লাদাখের মত পার্বত্য স্থান সহ যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ধরনের ব্যাঙ্কার বা শত্রু শিবির ধ্বংস করার কাজে ভারতীয় বিহাম বাহিনীর সহায়ক হতে উঠবে। বারতীয় বায়ু সেনার শক্তিও অনেকাংশে বেড়ে যাবে। 

হ্যামারকে নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র বলা যেতেই পারে।  ২০০৭ সালের জুন মাসে প্যারিস এয়ার শো চলাকালীন এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রথম প্রদর্শিত হয়। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ও সম্মেলনেই এই অস্ত্রগুলি প্রদর্শনীতে দেখান হয়েছিল। সেই সময় এই অস্ত্রগুলির দিক নির্দেশনা প্রদর্শিত হয়েছিল। হ্যামার লেজার ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০১৪ সালে ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লিরতে ডিফেন্স এক্সোপোতে আনা হয়েছিল।

রাম মন্দিরে লুকিয়ে রয়েছে করোনার প্রাণ, নির্মাণ শুরুর সঙ্গেই জীবাণু ধ্বংসের নিদান বিজেপি নেতার ...

আরও একধাপ সাফল্যের পথে স্পাইসজেট, ভারতের সঙ্গে মার্কিন আকাশেও উড়বে সংস্থার বিমান .

এয়ার ফোর্স টেকনোলডি ডটকমের তথ্য অনুসারে হ্যামার সিস্টেমটির দৈর্ঘ্য তিন মিটার আর ৩৩০ কেজি ওজন।  সর্বাধিক ৬০ কিলোমিটার উচ্চা ও সর্বনিম্ন ১৫ কিলোমিটার পরিসীমার মধ্য কাজ করতে সক্ষম। আগুনের মত প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে সক্ষম নতুন প্রজন্মের এই ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটি চলন্ত বা স্থির অবস্থায়  একসঙ্গে একাধিক টার্গটকে ধ্বংস করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিশেষত হল এটি দিন-রাত ও সবরকম আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম। এটি উলম্বভাবে আঘাত করতেও সক্ষম। 

ডিসেম্বরে কি চিনা প্রতিষেধকে করোনা মুক্তি, অক্সফোর্ডের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে সিনোফার্মা .