শুক্রবরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নাগরোতা এনকাউন্টার মনিয়ে টুইট করেছিলেন। জানিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরে জেলা কাউন্সিল নির্বাচন ব্যাহত করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, যা নিরাপত্তা বাহিনী  ফাঁস করে দিয়েছে। তারপরদিনই অর্থাৎ শনিবার ইসলামাবাদকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি। পাক দূতাবাসের চার্জ দ্য'এফেয়ার্স-কে ডেকে জাননো হল, ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে জঙ্গিদের ব্যবহার করলে তার ফল ভালো হবে না।

আরও পড়ুন - কোভিড মুক্ত হলেও যাচ্ছে না মৃত্যুভয়, প্রতিরোধের পথ বাতলালো ভারতীয়-মার্কিনিদের গবেষণা

আরও পড়ুন - সামান্যই কমল ভারতের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ, তবে সুস্থতার হার বেড়ে এখন ৯৩.৬৮ শতাংশ

আরও পড়ুন - 'মুসলিমদের জন্য কিছুই করিনি', ৬ সাক্ষাতে কীভাবে আলিমুদ্দিনের জীবন বদলে দিয়েছিলেন মোদী

নিরাপত্তা বাহিনীর কোনও অভিযান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী টুইট করছেন, ভারতে এই ঘটনা বেশ বিরল। কিন্তু, নাগরোতা অভিযানের পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ-কে দায়ী করেছিলেন। সরকারী সূত্রের দাবি, যে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে এই অভিযান নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় সাফল্য। কারণ, বাজেয়াপ্ত অস্ত্রশস্ত্রই বলে দিচ্ছে, একটি বড়সড় সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রস্তুতি চলছিল। ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর থেকেই পাকিস্তান কাশ্মীরের শান্তি বিঘ্নিত করতে চাইছে। এটা তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর টুইটের পরদিনই পাক দূতাবাসের প্রতিনিধিকে ডেকে ভারত বলেছে, ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালানোর জন্য তাদের দেশের মাটি ব্যবহার করতে না দেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে পাকিস্তানের। ইসলামাবাদ এই বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। তা পালন করতে হবে। নাহলে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে, জাতীয় সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ভারত। শুধু তাই নয, পুলওয়ামার পর বালাকোটে পাল্টা বহামলা চালিয়ে জইশ জঙ্গিদের ঘাঁটি উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত - সেই কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।