রবিবার সকালে প্রায় ৯১ লক্ষ ছুঁয়ে ফেলল ভারতের মোট করোনা রোগীর সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যান মন্ত্রকের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করোনাভাইরাস রোগীর সন্ধান মিলেছে ৪৫,২০৯ জন। যার ফলে দেশের মোট সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে, ৯০.৯৫,৮০৭-এ। এখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণে মহারাষ্ট্র এগিয়ে থাকলেও নতুন করোনা হটস্পট হিসাবে ক্রমশ উঠে আসছে রাজধানী দিল্লির নাম।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী শনিবার দৈনিক নতুন করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৬,২৩২ জন। অর্থাৎ রবিবার এইক্ষেত্রে সামান্য উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৫০১ জনের। ফলে ভারতে কোভিডে মোট মৃত্য়ুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১,৩৩,২২৭-এ।

আরও পড়ুন - কোভিড মুক্ত হলেও যাচ্ছে না মৃত্যুভয়, প্রতিরোধের পথ বাতলালো ভারতীয়-মার্কিনিদের গবেষণা

আরও পড়ুন - বালাকোট মনে আছে তো - নাগরোতা সংঘর্ষ নিয়ে ইসলামাবাদকে সতর্ক করল ভারত

আরও পড়ুন - 'মুসলিমদের জন্য কিছুই করিনি', ৬ সাক্ষাতে কীভাবে আলিমুদ্দিনের জীবন বদলে দিয়েছিলেন মোদী

তবে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা রয়ে গিয়েছে ৫ লক্ষের নিচেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্য়ান বলছে দেশে এখন চিকিৎসাধীন রোগী আছেন ৪,৪০,৯৬২ জন। যেখানে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮২,২১,৬১৭ জন। এরমধ্যে গত ২৪ ঘন্টাতেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৩,৪৯৩ জন। সুস্থতার হার এখন ৯৩.৬৮ শতাংশ।

অন্যদিকে, শনিবার আইসিএমআর মোট ১০,৭৫,৩২৬ টি নমুনা পরীক্ষা করেছে কোভিডের জন্য। সব মিলিয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩,১৭,৩৩,১৩৪ টি। বর্তমানে করোনা ইতিবাচক হওয়ার হার দাঁড়িয়েছে ৪.২ শতাংশে। 

১৭.৭৪ লক্ষেরও বেশি করোনা রোগী নিয়ে দেশের মধ্যে এখনও সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্রই। এই রাজ্যে চিকিৎসাধীনই রয়েছেন ৮০,০০০ এরও বেশি মানুষ। তবে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যায় এখন সবথেকে এগিয়ে দিল্লি। গত ২৪ ঘন্টায় যেখানে মহারাষ্ট্রে ৫,৭৬০ জন নতুন করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সেখানে দিল্লিতে ৫,৮৭৯ জন করোনা ইতিবাচক হিসাবে সনাক্ত হয়েছেন। রাজধানীতে শনিবার কোভিডে মৃত্যু হয়েছে ১১১ জনের। এই সংখ্যাটাও গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ।