সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বিমানটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে বোমডিলার পশ্চিমে মান্ডলার কাছে এটি ভেঙে পড়ে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার অরুণাচল প্রদেশে ভেঙে পড়ল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার। মন্ডালা পাহাড়ের কাছে বোমডিলায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর পাইলট ঘটনাস্থল থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধানে সেনাবাহিনী ত্রাণ-উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সেনা মুখপাত্র জানিয়েছেন, পাইলটকে খুঁজতে একটি অনুসন্ধান দল পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনার পর থেকেই দুই পাইলট, একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং একজন মেজর নিখোঁজ।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বিমানটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে বোমডিলার পশ্চিমে মান্ডলার কাছে এটি ভেঙে পড়ে বলে জানা গেছে। একটি অনুসন্ধান দল পাঠানো হয়েছে। তল্লাশি চলছে।

গুয়াহাটির প্রতিরক্ষা জনসংযোগ আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত বলেছেন, "ভেঙে পড়া হেলিকপ্টারটি বোমডিলার কাছে একটি ছোট রুটের উড়ান শুরু করেছিল। সকাল সোয়া নটা নাগাদ এটি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। হেলিকপ্টারটি বোমডিলার পশ্চিমে মান্দালার কাছে ভেঙে পড়ে। " একটি অনুসন্ধান দল কপ্টারের ভগ্নাবশেষ উদ্ধার করেছে। পাইলটকে খুঁজে বের করতে টিম পাঠানো হয়েছে।

গ্রামবাসীরা দুর্ঘটনাস্থল খুঁজে পেয়েছেন, পাইলট এখনও নিখোঁজ

অরুণাচল প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ চিতা হেলিকপ্টারটি মিসামারি থেকে সেঙ্গে গ্রামের পথে উড়ছিল। এ সময় তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিরাং থানার বাংজলেপ গ্রামের লোকজন বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ দেখে পুলিশে খবর দেয়। পাইলটদের সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য নেই।

কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, দৃশ্যমানতা ছিল ৫ মিটার

অরুণাচল প্রদেশ পুলিশের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকে ওই এলাকায় ঘন কুয়াশাকে দুর্ঘটনার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় দৃশ্যমানতা ছিল মাত্র ৫ মিটার, যে কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। মুখপাত্রের মতে, সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারে দুই পাইলটের উপস্থিতির তথ্য দিয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং এসএসপির অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলের এলাকায় কোনো ধরনের যোগাযোগ সংকেত না থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ছবি পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য এই মাসের শুরুতেই মুম্বই উপকূলে নৌবাহিনীর হেলিকপ্টারকে জরুরি অবতরণ করাতে হয়। একটুর জন্য প্রাণে বেঁচে যান কপ্টারে থাকা জওয়ানরা। ভারতীয় নৌবাহিনী জানায়, ভারতীয় নৌবাহিনীর অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (ALH) মুম্বাই থেকে একটি উড়ান শুরু করেছিল। এ সময় উপকূলের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের ফলে নৌবাহিনীর টহল জাহাজের মাধ্যমে তিনজন ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।