পাকিস্তানের কাছেই বিশাল যুদ্ধ মহড়া শুরু করতে চলেছে ভারতীয় সেনা। এই মহড়ায় ৪০ হাজারেরও বেশি সেনা, ট্যাংক, আর্টিলারি বন্দুক, অ্যাটাক হেলিকপ্টার অংশগ্রহণ করতে চলেছে। বুধবার থেকেই এই মহড়া শুরু হতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। 

রামমন্দিরের স্বপ্নে ২৭ বছর ধরে চা আর কলা খেয়ে আছেন বৃদ্ধা, রায়েও ভাঙল না তপস্যা

এই মহড়াকে সিন্ধু সুদর্শন নাম দেওয়া হয়েছে। কর্পস লেভেল মহড়ার এটি দ্বিতীয় পর্যায় হতে চলেছে যা চলবে ১৩ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। স্থান- বারমের এবং জয়সালমীর। এই মহড়ায় নিজেদের ক্ষমতা ফের একবার ঝালিয়ে নেওয়ার পালা চলবে। আধিকারিক সূত্র মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে কিভাবে এবং কতটা ঠিকঠাক এইসব ট্যাংক, আর্টিলারি বন্দুক, অ্যাটাক হেলিকপ্টার কাজ করতে পারে তা দেখে নেওয়াবে। 

মা দিলেন পরীক্ষা, আর বাচ্চা পেল এমন যত্ন-আত্তি, অসমের কাহিনি এখন মুখে মুখে

এই প্রথম কোনও মহড়ায় কে নাইন বজ্র অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া বায়ুসেনাবাহিনীও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই মহড়ায়। এই মহড়া চলাকালীন জলসওয়া, ঐরাবৎ এবং সান্ধ্যায়ক, ভারতীয় সেনার এই তিন নৌ জাহাজ থেকে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনার এমআই ১৭ এবং ব়্যাপিড অ্যাকশন মেডিক্যাল টিম অংশগ্রহণ করতে পারে।

মিজোরামে জাপানের সেনা বাহিনী, হাজির ভারতীয় বাহিনীও, ঘটলটা কী

এদিকে দুদিন আগেই জানা গিয়েছে, লাইন অফ কন্ট্রোলের সামনে হঠাৎ করে পাকিস্তান সেনা বাড়াতে শুরু করেছে।ব্যাপক পরিমাণে মজুত করতে শুরু করেছে আর্টিলারি বন্দুকের সংখ্যা। যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে  পাকিস্তান গুলি বর্ষণ অব্যাহত রাখতে সেনা মজুদের পরিমাণ বাড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সীমান্তে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাকিস্তান কোনও পরিকল্পনা করছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল।

বড়সড় সাফল্য, পাকিস্তানের ছোঁড়া মিসাইল শেল গুঁড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা

সেনাবাহিনীর পাঠানো রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এলওসি থেকে কয়েক মিটার দূরে পাকিস্তানে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর কার্যক্রম ক্রমেই বেড়ে গিয়েছে। জঙ্গিরা  ভারতে ঢোকার জন্য উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে স্পেশাল অপারেটিং উইন স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ ( এসএসজি)  এলওসির কাছে প্রায় ২,০০০ কর্মী মোতায়েন করেছে। ইতিমধ্যে সেখানে ৯০,০০০ পাক সেনা সেখানে মোতায়েন করেছে।  এলওসিতে  প্রায় ১,১৩,০০০ জন সেনা নিযুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।