করোনায় আক্রান্ত মালেশিয়া থেকে দেশে ফিরেও শেষ রক্ষা হল না। মৃ্ত্যু হল এক ব্যক্তির। তবে মৃত ব্যক্তি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ছিলেন না। তেমনই বলছে প্রাথমিক রিপোর্ট। তাই নিয়েই রীতিমত ধ্বন্দে চিকিৎসরকরা। কয়েক দিন আগেই কেরলের এক ব্যক্তি ফিরেছিলেন  মালেশিয়া থেকে। যে দেশে ইতিমধ্যেই ২৫ জনের দেহে করোনার জীবানু পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য দফতর। সেই মালেশিয়া থেকে দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওই ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছিল এর্নাকুলামের একটি হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন না। একাধিক পরীক্ষার পরেও তাঁর দেহ থেকে মেলেনি করোনাভাইরাস। কিন্তু তারপরেও কেন ওই ব্যক্তির মৃত্যু হল? উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। 

আরও পড়ুনঃ মোদী কতখানি ভারতীয় নাগরিক, জবাব দিল তবে কাগজ দেখালো না কেন্দ্রীয় সরকার

এর্নাকুলামের হাসপাতাল জানাচ্ছে, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ওই ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। নিউমনিয়াতেও তিনি আক্রান্ত হন। দীর্ঘ দিন ধরেই ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। আইশোলেশন বিভেগে রেখে বিশেষভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। কিন্তু তারপেরও বাঁচানো যায়নি। তবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে রীতিমত সংশয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। মৃত্যুর কারণ জানতে আরও পরীক্ষা করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ দিল্লির হিংসা নিয়ে বাবুল সুপ্রিয় ও জাভাদ আখতারের টুইট যুদ্ধ

এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিন জনকে সুস্থ করে হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠান হয়েছে। চীন থেকে ফেরা ভারতীয়দের বিশেষভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। অনেককে আবার এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরই ছাড়া হয়েছে। এই অবস্থায় কেরলের ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা। তবে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যথেষ্ট বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। বয়স্ক ও শিশুদের ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মাস্ক ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ লিপ ডে উপলক্ষে শতবর্ষে পালন হল ২৫তম জন্মদিন, শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসল নেটদুনিয়া

করোনাভাইরাস মহামারির আকার নিয়েছে চীনে। এখনও পর্যন্ত চীনে করোনার বলি হয়েছেন ২,৮৭০ জন। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় আশি হাজার। ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের সবকটি দেশকে করোনাভাইরাসের বিপদ নিয়ে সচেতন করেছে। শেয়ার বাজারেও করোনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। একজন মানুষের দেহ থেকেই অন্য মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় করোনাভাইরাস। তবে এই মহামারি মোকাবিলায় চীনের স্বাস্থ্য দফতর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েই কাজ করেছে।