দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ লক্ষ ছাড়িয়ে গেলে। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪,০০০,৬২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ হাজার ৬০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১,১৩ জনের। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এপর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৮৬৭৫২। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী রবিবার পর্যন্ত দেশে অ্যাক্টিভকেসের সংখ্যা ১০ লক্ষেরও বেশি। তবে সুস্থ হয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ৪৩ লক্ষেরও বেশি। করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যা রীতিমত আশা দেখাচ্ছে বলেও দাবি করা হয় মন্ত্রকের তরফে। 


স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি ছিল দ্বিতীয় দিন যখন আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় সুস্থ হয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অনেকটা বেশি। মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে  ৯৪ হাজার ৬১২ জন। দেশে সুস্থতার হার পৌঁছে গেছে ৮০ শতাংশে।  করোনা-বিশ্বের ক্রম তালিকায় ভারত রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। এখনও পর্যন্ত প্রথম স্থান দখল করে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯ লক্ষেরও বেশি। 

করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলির ক্রমতালিতায় এখনও পর্যন্ত প্রথম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র। বর্তমানে এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লক্ষেরও বেশি। দ্বিতীয়, তৃতীয় আর চতুর্থ স্থানে রয়েছে অন্ধ্র প্রদেশ, তামিলনাড়ু আর কর্ণাটক। অন্ধ্র প্রদেশে আক্রান্ত হয়েছে ৬ লক্ষের বেশি  মানুষ। তামিলনাড়ু আর কর্ণাটকে আক্রান্ত হয়েছে ৫ লক্ষেরও বেশি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নমুনা পরীক্ষার হার বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, ৬ কোটি ৩৬ লক্ষেরও বেশি মানুষের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শুধুমাত্র শনিবার অর্থাৎ ১৯ সেপ্টেম্বরই ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জাবিয়েছে ইন্ডিয়ার কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ। 


স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত সোমবার থেকে এপর্যন্ত টানা ৭ দিন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের গড় ছিল ৯০ হাজার। শুধুমাত্র গত সপ্তাহে ৪লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষের।  তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত সপ্তাহের সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সুস্থ  হয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৩২৪।