তিন বছর আগে ভারতে হয়েছিল নোট বাতিল। তারপর ডিজিটাল ভারতের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মোদী। আর তাকে সমর্থন দিতেই ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কেটারিং অ্যান্ড টুরিজম তুলে নিয়েছিল অনলাইনে টিকিট কাটার সার্ভিস চার্জ বা পরিষেবা মাশুল। কিন্তু তিন বছর যেতে না যেতেই হাঁড়ির হাল ভারতীয় রেলের। তাই আবার ফিরল সেই সার্ভিস চার্জ।

আইআরসিটিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাতানুকুল নয় বা ননএসি কামড়ার ক্ষেত্রে টিকিট প্রতি ১৫ টাকা করে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হবে। আর বাতানুকুল বা এসি কামড়ার ক্ষেত্রে টিকিট প্রতি পড়বে ৩০ টাকা করে। এর আগে যখন সার্ভিস চার্জ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, সেই সময় ননএসি ও এসি কামড়ার টিকিটে সার্ভিস চার্জ ছিল যথাক্রমে ২০ টাকা ও ৪০ টাকা।

সার্ভিস চার্জ বন্ধ করায় অনলাইনে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহার করার প্রবণতা কিছুটা বাড়লেও, ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে ভারতীয় রেল। ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরেই ইন্টারনেটে টিকিট কাটা বাবদ যে আয় হতো তা কমে গিয়েছিল ২৬ শতাংশ। পরের আর্থিক বছরগুলিতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়েছে।    

এমনিতেই এই মুহূর্তে আর্থিক দিক থেকে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে ভারতীয় রেল। ব্যয় সংকোচের কারণ দেখিয়ে একলপতে প্রায় ৩ লক্ষ রেলকর্মীর ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই অবস্থায় ই-টিকিটের ক্ষেত্রে এতটা ক্ষতি স্বীকার করা সম্ভব হচ্ছিল না রেলের। সবদিক বিচার বিবেচনা করেই রেলবোর্ড ও অর্থ দপ্তর ই-টিকিটে সার্ভিস চার্জ ফেরানোর বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে।