জম্মুর বান টোল প্লাজায় জঙ্গি হামলার তদন্ত একের পর এক রহস্যের জট খুলছে। আর যতই এগিয়ে তদন্ত ততই সামনে আসছে হাড়হিম করা তথ্য। এক তদন্তকারীর কথায় জঙ্গিরা রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রায় ত৩০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ হেঁটেছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গিরা জম্মুর সাম্বা সেক্টর দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল। তাদের গন্তব্য ছিল কাশ্মীর উপত্যকা। 

তদন্তকারীদের কথায় জইশ ই মহম্মদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চার জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল জম্মুর টোল প্লাজায়। তাদের চার জনকেই নিকেশ করা হয়েছে। জঙ্গিরা সাম্বা সেক্টরের মাওয়া গ্রাম দিয়ে এদেশের মাটিতে পা রেখেছিল। মাওয়া গ্রামটি হিরানগর ও রামগড় গ্রামের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। তারা প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা পায়ে হেঁটে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছায়। রাত ২.৩০ মিনিচ - ৩টের মধ্যে ট্রাকে ওঠে। সেই ট্রাকটি ৩টে ৪৪ মিনিটে জম্মুর বান টোল প্লাজায় পৌঁছায়। ভোর রাত ৪টে নাগাট ট্রাকটিকে বাধা দেয় নাকা চেকিং-এর দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা। 

দিল্লি ছাড়ার আগে বিরোধীদের মন রাখতে উদ্যোগ সনিয়ার, রদবদল কংগ্রেসের তিনটি কমিটিতে .

ডোকালাম এলাকায় রাতারাতি গ্রাম তৈরির অভিযোগ চিনের বিরুদ্ধে, চিন সাংবাদিকের দাবিতে জল্পনা ...

তদন্তকারী ও বান টোলপ্লাজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মীদের কথায় চার জঙ্গি আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেই সীমান্ত পার হয়েছিল। তাদের সঙ্গে ছিল প্রচুর পরিমাণে আধুনিক অস্ত্র। আগেই  ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল যে ২৬ -১১-এর মুম্বইয়ের সন্ত্রাসবাদী হামলার বার্ষিকীতে বড় সড় জঙ্গি হামলার ছক করেছিল পাক জঙ্গিরা। আর সেই কারণেই তারা সীমান্ত পার হয়ে এদেশে প্রবেশ করেছিল। জঙ্গিদের ট্রাক থেকে উদ্ধার হয়েছিল অ্যাসল্ট রাইফেল, রকেট লঞ্চার. পিস্তল আর প্রচুর পরিমাণ গুলি। জঙ্গিরা সাড়ে ছ কিলোগ্রাম নাইট্রোসেলুলোজ জ্বালানি তেলের সঙ্গে মিশিয়ে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল বলেও দাবি করছে গোয়েন্দারা। 

১৯ নভেম্বর জম্মুর টোল প্লাজার ঘটনায় প্রত্যক্ষ যোগ ছিল পাঠানকোট বিমানঘাঁটি হামলার মূল অভিযুক্ত জইশ জঙ্গি কাসিমের। কাসিম কমান্ডার স্থানীয় নেতৃত্বে রয়েছে। সূত্রের খবর ভারতে প্রবেশ করার জন্য সীমান্তবর্তী লঞ্চ প্যাডগুলিতে কয়েকশো জঙ্গি অপেক্ষা করছে। যারা দক্ষিণ কাশ্মীর জুড়ে তাদের সোর্সগুলিকে অ্যাক্টিভ করার চেষ্টা করছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে গোয়েন্দাদের তরফে।