দিল্লি ছাড়ার আগেই কংগ্রেসর ভাঙন রুখতে ও বিরোধী শিবিরের নেতাদের মন রাখতে   গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। বিহার-সহ একাধিক ইস্যতে বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম, কপিল সিবালের মন্তব্যে ক্রমশই সামনে আসছে কংগ্রেসের দলীয় কোন্দল। আর তা প্রশমনেরও উদ্যোগ নেন সভানেত্রী।  সনিয়া গান্ধী জাতীয় সুরক্ষা, বৈদেশিক  ও অর্থনীতি সংক্রান্ত বিষয়ের কমিটিগুলিতে বিরোধী শিবিরের চার সদস্যকে চার সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। 

অর্থনৈতিক কমিটিতে সনিয়া  গান্ধী পি চিদম্বরমের নাম উল্লেখ করেছেন। বিদেশ বিষয়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে আনন্দ শর্মা ও শশী থারুরের নাম। আর তৃতীয় কমিটি অর্থাৎ জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে রাখা হয়েছে গোলাম নবি আদাজ ও বীরাপ্পা মইলির নাম। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তিনটি কমিটিরই সদস্য। তবে কোনও কমিটিতেই এখনও পর্যন্ত নাম নেই কপিল সিবালের। 

জইশ জঙ্গিদের ছক বানচাল করেছে ভারত, জম্মুর এনকাউন্টার নিয়ে পাকিস্তানকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর ...

কেন্দ্রের টাকা কী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় হিসেব চাইলেন অমিত মালব্য ...

কপিল সিব্বালের সুরে সুর মিলিয়ে চিদম্বরমও বিহার বিধানসভা নির্বচন ও উপনির্বাচনগুলিতে কংগ্রেসের খারাপ ফলের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। বিহারে শক্তির তুলনায় বেশি আসনে কংগ্রেস লড়াই করেছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁকে সমর্থন করেন কপিল সিব্বাল। অন্যদিকে আনন্দ শর্মা চিন ইস্যুতে কংগ্রেসের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। অগাস্ট মাস থেকেই সনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে স্থায়ী সভাপতির দাবি জানিয়েছিলেন সেই সময় কংগ্রেসের ২৩ জন বর্ষিয়ান নেতা চিঠিও লিখেছিলেন সনিয়া গান্ধীকে। যা নিয়ে সামনে এসেছিলে কংগ্রেসের দলীয় বিবাদ। 

অন্যদিকে দিল্লির বাতাসে দুষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দিল্লি ছাড়ছেন সনিয়া গান্ধী। চিকিৎসকদের পরামর্শেই দিল্লি ছেড়ে যাচ্ছেন তিনি। আপাতত তিনি থাকবেন গোয়ায়। সনিয়ার বুকে সংক্রমণের কারণেই তাঁকে দিল্লির দুষণ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সনিয়ার সঙ্গে থাকবেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। দিল্লির আবহাওয়া  সামান্য উন্নতি হলেও তাঁকে দিল্লি আসার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।