দেনার দায় এবার স্থগিত করতে হল জেট উড়ান পরিষেবা। একটাকার বিনিময়ে ব্যাঙ্কের অধিনস্থ হল ৫১ শতাংশ জেট  উড়ানের শেয়ার।

৮,৫০০ কোটি টাকার ঋনের বোঝা কাঁধে নিয়ে আপাতত স্থগিত জেট উড়ান। বিগত আট মাস ধরেই নানান আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হয় জেটকে। ক্রমেই বাড়তে থাকে দেনা। চাপের মুখে পড়ে কর্তৃপক্ষ কর্মীদের আবেদন জানান বেতনের হার ২৫ শতাংশ কম করার। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। বাকি থেকে গেল তিনমাসের বেতনও। অপরদিকে একের পর এক উড়ান বাতিলের ফলে ফেতর যোগ্য টিকিটের মূল্যের অর্থাঙ্কও যায় বেড়ে। সব দিক থেকে আর্থিক ভাবে জর্জরিত হয়ে বুধবার সন্ধ্যেবেলায় কতৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেন পরিষেবা স্থগিত করার। এদিন রাতেই জেট সংস্থার শেষ বিমানটি দিল্লি থেকে ওড়ে ১০.৩০ টায়। গন্তব্য ছিল অমৃতসর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এক সময় মোটের ওপর ১২৩টা বিমান ছিল যাদের দখলে তা ক্রমেই অর্থাভাবে কমতে কমতে পাঁচটিতে এসে দাঁড়ায়। যেসব বিমান লিজে নেওয়া হয়েছিল তাও এখন বসিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন সংস্থা। ১৯৯৩ তে প্রথম বিমান পরিষেবায় নামে জেট সংস্থা। তবে বিগত একদশকে একের পর এক বন্ধ হতে থাকে কিংফিশার, এয়ার কোস্তা, এয়ার কার্নিভ্যাল, এয়ার ডেকান ও এয়ার ওড়িশা বিমান পরিষেবা ক্রমেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে কর্মীদের ভবিষ্যতকে

এ ঘটনার পর চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেট প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গয়াল। মার্চ মাসে ঋনের বিকল্প স্বরূপ ১ টাকার বিনিময়ে সংস্থার ৫১ শতাংশর অংশ থেকে নিজের আওতায় নেয় স্টেটব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সংস্থার মতে চলতি মাসে ১৫০০ কোটি টাকা সংস্থাকে দেওয়ার কথা ছিল ব্যাঙ্কের কিন্তু শেষ মুহূর্তে সে আবেদনও খারিচ হয়ে যাওয়ায় আপাতত বন্ধ হল পরিষেবা। অর্থসংঙ্কটের মুখে জেট বিমান পরিষেবার কর্মীরা, প্রায় ২০,০০০ পরিবার।