নবনির্বাচিত রাজ্যসভার সাংসাদের সঙ্গে শপথ বাক্য পাঠ করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বুধবার সিন্ধিয়ার সঙ্গে শপথ বাক্য পাঠ করেন তাঁর প্রাক্তন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা  ও বর্তমান প্রতিপক্ষ দ্বিদবিজয় সিং। কিন্তু রাজ্যসভায় তাঁদের দুজনকেও একদম অন্যমূর্তিতে দেখা গেল। 

রাজ্যসভায় উপস্থিত বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং-এর সঙ্গে সৌজন্য বিনিয়মের পাশাপাশি তাঁর পুরনো দল কংগ্রেসের সাংসদ গুলামনবি আজাদ, মল্লিকার্জুন খাড়গের  সঙ্গেও সৌজন্য বিনিময় করেন সিদ্ধিয়া। সিদ্ধিয়ার এই সৌজন্য বিনিয়মের ছবি নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেন করোনাভাইরাসের কারণে মাস্ক ব্যবহার করে নেতাদের সুবিধেই হয়েছে। কারণ মাস্কের আড়ালে তাঁরা নিজেদের আসল চেহারা লুকিয়ে রাখতে পেরেছেন। 


গত মার্চ মাসেই কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং ও কমলনাথের সঙ্গে তাঁর বনিবনা না হওয়ায় দল ছেড়েছেন সিন্ধিয়া। দল ছাড়ার পর কংগ্রেসের জাতীয় স্তরের নেতাদের এখনও পর্যন্ত তেমনভাবে আক্রামণ করেননি সিদ্ধিয়া। কিন্তু কমলনাথ ও দ্বিগবিজয় সিংকে ক্রমাগত আক্রমণ করেই চলেছে।  তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পাশাপাশি সরব হয়েছেন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না রাখারও অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। অনেকেই বলেন দ্বিগবিজয় সিং কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভায় যেতে চেয়েছিলেন। আর সেই কারণেই তিনি বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সিন্ধিয়ার সামনে। আর সংসদে পৌঁছাতে ও নিজের রাজনৈতিক অস্বত্ব টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়েই দল ছেড়েছেন। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের মহারাজা সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে বিদ্বেষ ভুলে রীতিমত সৌজন্য বিনিয়ম করলেন প্রাক্তন সহকর্মীদের প্রতি। কিছু নেটিজেন সমালোচনা করলেও অনেকেই আবার রাজনৈতিক সৌজন্য বিনিয়মকে সাধুবাদ জিনিয়েছেন। 

রাজস্থানের রাজনৈতিক সংকট এবার সুপ্রিম কোর্টে, 'সাংবিধানিক' সংকট' বলেই দাবি স্পিকারের ...

বাইরে নয় আপনার বাড়িই করোনার আঁতুড়ঘর, বলছে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন একটি গবেষণা ...