ভারতে ভোটের জনমত সমীক্ষা এবং ভোট পর্বের সমাপ্তিতে বুথ ফেরত সমীক্ষা একটা চল। যা বহু সময়ই ভোটের ট্রেন্ড বুঝতে সাহায্য করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখাও গিয়েছে চূড়ান্ত ভোট গণনার ফলের সঙ্গে অনেকাংশেই মিল রয়েছে এই সব সমীক্ষার।  

১৪ এপ্রিল এশিয়ানেট নিউজ কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে একটি জনমত সমীক্ষা করেছিল। যা কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে এশিয়ানেট নিউজের প্রথম জনমত সমীক্ষা ছিল। তার ২০ দিনেরও বেশি সময় পরে এবার এশিয়ানেট নিউজ প্রকাশ করছে কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে তাদের চূড়ান্ত জনমত সমীক্ষা। যাকে এশিয়ানেট নিউজ মহাজনমত সমীক্ষা বলা হচ্ছে। কর্ণাটকে এক দফাতেই ২২৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১০ মে। ভোট গণণা ১৩ মে। ২০১৮ সালে কর্ণাটকে নির্বাচন হয়েছিল। এবার ২৪ মে-এর মধ্যে কর্ণাটকে নতুন সরকার গঠন হতে হবে। কারণ ২৪ মে-তে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এশিয়ানেট নিউজ মহা জনমত সমীক্ষার দলটি গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত কর্ণাটকের প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে। বিভিন্ন তথ্য-তালাশের মধ্যে দিয়ে জন কি বাতের ডেটা অ্যানালিস্টরা সেই সব তথ্যকে নথিভুক্ত করেছে। এর সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড এক্সপার্ট ও সমীক্ষকরা। যাদের দলের মোট আয়তন ছিল ৭০ জন।

সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই দলের সদস্যরা ১৫ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত বিভিন্ন বিধানসভা ক্ষেত্রে ঘুরে বেড়িয়েছেন। মোট ৩০ হাজার লোকের সঙ্গে কথা বলে সংগ্রহ করা হয়েছে তথ্য। আর সেই তথ্যকেই কাটাছেঁড়া করে তৈরি করা হয়েছে জনমত এক সম্ভাব্য ফলাফল। এই মহা জনমত সমীক্ষায় তথ্য সংগ্রহ অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে, শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই হয় না, কোন তথ্য কতটা জরুরি তা বোঝার মতো ক্ষমতা দলের মধ্যে থাকতে হবে। কারণ এই অনুযায়ী তথ্যের সন্ধানের তালিকা তৈরি করা হয়। যার উপর ভিত্তি করে চলে মানুষের গোষ্ঠীবদ্ধ মানসিকতার খোঁজ, এর মানে যে ভোটের বাজারে মানুষের মনোভাবটা কি কোনদিকে এবং এই মনোভাবের ফলে কি কি সম্ভাব্য ফলাফল ঘটে যাওয়ার একটা সূত্র তৈরি হয়।

এশিয়ানেট নিউজ-কে এই তথ্য সংগ্রহে সহযোগিতা করেছে জন কি বাত। ২০১৮ সালের কর্ণাটক নির্বাচন-সহ এখন পর্যন্ত গত কয়ে়ক বছরে ৩৬টি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সমীক্ষা সম্পন্ন করেছে জন কি বাত। আর এর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে জন কি বাত-এর দেওয়া সম্ভাব্য ফলাফল-এর প্রায় কাছ ঘেঁষে গিয়েছে আসল ফলাফল। তাদের মতে, বলতে গেলে সমীক্ষার ৯০ শতাংশ ফলের সঙ্গে মিল দেখা গিয়েছে আসল ফলের।