আবার সমস্যায় কর্নাটকের অভাবাসী শ্রমিকরা। আবারও বন্ধ হয়ে গেলে তাঁদের বাড়ি ফেরার সহজ রাস্তা। রাজ্যের নির্মান সংস্থার সঙ্গে বৈঠকের পরই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। কর্নাটক সরকারের তরফ থেকে দক্ষিণ পশ্চিম রেলওয়েকে চিঠি লেখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে বুধবার যে সব ট্রেন কর্নাটক থেকে ছাড়ার কথা ছিল সেগুলি যেন বাতিল করে দেওয়া হয়। কর্নাটকের অধিকাংশ অভিবাসী শ্রমিকই বিহারের বাসিন্দা। তাঁদের ফেরানোর জন্য সকাল ৯টা দুপুর ১২টা ও বেলা ৩টে নাগাদ তিনটি ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ মাস্ক তৈরির কারখানায় গিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বজায় রাখলেন নিজের জেদ, লকডাউন নিয়েও একই মন্তব্য তাঁর ...

আরও পড়ুনঃ আবারও পেট্রোল ডিসেলের অন্তঃশুল্ক বৃদ্ধি, খুচরো ক্রেতাদের সমস্যা হবে না বলেই কেন্দ্রের আশ্বাস ...

বেঙ্গালুরু থেকে বিহারের দানাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল ৩টি ট্রেনের। আর এই ট্রেনে চড়েই মহামারীর কঠিন এই সময় শতাধিক মজদুর বাড়ি ফেরার আশায় বুক বেঁধেছিলেন। দীর্ঘ ৪০ দিন পরিজনদের ছেড়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়েই ভিন রাজ্যে দিন কাটিয়েছেন।  কিন্তু কর্নাটক সরকারের এই পদক্ষেপ অচিরেরই তাঁদের সমস্ত আশায় জল ঢেলে দিয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবারই কর্নাটক থেকে প্রায় ১১শ শ্রমিক বাড়ি উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। নোডাল অফিসার এন মঞ্জুনাথ প্রসাদই আপাতত ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন বলে সূত্রের খবর।  তবে এদিন নির্মান সংস্থার সঙ্গে যুক্ত অভিবাসী শ্রমিকদের রাজ্যে থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা। 

কী কারণে শ্রমিক ট্রেন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে-- তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি সরকার। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছিন এক প্রশাসনিক কর্তা জানিয়েছেন, কনফেডারেশন অব রিয়েল অস্টেট ডেভলপার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কর্নাটক সরকারের প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সেই বৈঠকেই জানান হয়েছে রাজ্যের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য অভিবাসী শ্রমিকদের এই মুহূর্তে প্রয়োজন রয়েছে। আর নির্মান সংস্থাগুলির কথায় রাজি হয়েই কর্নাটক সরকার অভিবাসীদের বাড়িতে ফিরতে দিতে নারাজ।